আবেদনে প্রথমেই সার্ভার সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরো বলা হয়েছে, অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্ত্রী ও সন্তানের তথ্য আগে থেকেই আইবাস++ ব্যবস্থায় দেওয়া রয়েছে। সে ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দেওয়ার মাধ্যমে আগের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসার কথা। নতুন করে একই তথ্য পূরণ করতে হলে তা অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করে। তাই এ প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানানো হয়েছে।
পে ফিক্সেশন ব্যবস্থায় অতিরিক্ত তথ্য ও অপশন থাকার বিষয়টিও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অপ্রয়োজনীয় অপশন বাদ দিলে পুরো প্রক্রিয়াটি আরো সহজ হবে বলে মনে করছেন আবেদনকারীরা।
এ ছাড়া ‘সাবস্ট্যানটিভ গ্রেড’–সংক্রান্ত একটি নির্দিষ্ট সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। যারা সাবস্ট্যানটিভ হিসেবে ১১তম গ্রেডে রয়েছেন, কিন্তু বর্তমানে সপ্তম, অষ্টম বা নবম গ্রেডে আছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভাতা বিশেষ করে বাড়িভাড়া ভাতা যেন ১১তম গ্রেডের ভিত্তিতে দেখা যায়, সে ব্যবস্থা সিস্টেমে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।
আবেদনপত্রে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে এই প্রথম আইবাস++ ব্যবস্থার মাধ্যমে পে ফিক্সেশন করা হচ্ছে। তাই প্রক্রিয়াটি যথাসম্ভব সহজ করা হলে দ্রুত পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে ভুলের পরিমাণও কমবে এবং সংশ্লিষ্ট সবাই উপকৃত হবেন।
আবেদনকারীরা আরো বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রাখা যেতে পারে। তবে সেগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও অধিদপ্তরভিত্তিক ধাপে ধাপে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা সম্ভব। এতে মূল প্রক্রিয়াটি জটিল হবে না। এ অবস্থায় পে ফিক্সেশন সহজ করার লক্ষ্যে আইবাস++ ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা অথবা আরও সহজ পদ্ধতি চালুর জন্য জোর দাবি ও অনুরোধ জানিয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।