• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি: এলজিআরডি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২২ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

  • রাজনীতি শুধু ক্ষমতা অর্জনের জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনের কার্যালয়ে জাতীয় শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির শিক্ষকদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় খান ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রতিনিধি হতে পারা অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। প্রায় ৩৫ বছর ধরে তিনি একই আদর্শে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনে ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে বা আপ্যায়নের মাধ্যমে ভোট চাওয়ার পরিবর্তে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনকেই তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। জনপ্রতিনিধিদের যেমন জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়, তেমনি সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচনের দায়িত্বও জনগণের।

নির্বাচনে জয়ী হতে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা পরিবর্তন করতে হবে। জনগণের সেবা করার আদর্শ ছাড়া রাজনীতি সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারে না।

স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে জাতীয় পর্যায়েও গণতন্ত্র কার্যকর করা সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং পাঁচটি স্তরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন তাঁর সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। মানুষ যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় ভিত্তিতে আয়োজনের পক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, এতে স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় বিভাজন ও পারস্পরিক বিদ্বেষ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সবাইকে দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে।

সমাজ গঠনে এনজিওগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এনজিওগুলোর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ও এনজিওগুলোর লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। এ জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে হবে।

দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার বলেন, এনজিও পরিচালনায় দাতাদের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল না হয়ে নিজস্ব সক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা বজায় রাখা প্রয়োজন। অর্থায়ন কমে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সরকারি খাসজমি ও পুকুরসহ স্থানীয় সম্পদ কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং সমাজ গঠনে এনজিওগুলোর ভূমিকা আরও জোরদার করা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category