• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
Headline
টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন  ৫৫ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১০ জন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাঁঠালিয়ায় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি

এইচআরএসএসের প্রতিবেদন সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৪, আহত ৫২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২২ Time View
Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

ফাইল ছবি: বর্তমান বাংলাদেশ

দেশের বিভিন্ন স্থানে গত সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতার ৬৮টি ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছে। এ সময় ৫২৭ জনের বেশি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আহত হয়। একই মাসে গণপিটুনি বা মব সহিংসতার ৩৫টি ঘটনায় অন্তত ৯ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছে।

শনিবার মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি’ (এইচআরএসএস) প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

দেশের ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, সংগঠনটির সংগৃহীত তথ্য এবং ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সেপ্টেম্বরে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সময় সারা দেশে ২৩৬ জন নারী ও কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে চারজন এবং আহত হয়েছে ৫২৭ জন। গণপিটুনিতে অন্তত ৯ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছে।

এইচআরএসএস জানায়, সেপ্টেম্বরে সারা দেশে ২৩৬ নারী ও কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার অন্তত ৭৯ জন, যার ৬০ শতাংশই (৪৭ জন) অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু-কিশোরী। ১৩ জন নারী ও শিশু গণধর্ষণের শিকার হয় এবং ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় পাঁচজনকে।

অন্যদিকে মাসজুড়ে নানা সহিংসতায় ৭৮ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। পারিবারিক সহিংসতায় মারা গেছেন আরো ৪৩ নারী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কেবল বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই ঘটে ৩৫টি ঘটনা, যাতে একজন নিহত ও অন্তত ৩৪০ জন আহত হয়। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সাতটি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ৬১ জন। বিএনপি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষে ছয় ঘটনায় নিহত একজন ও আহত ৪২ জন।

জামায়াত-আওয়ামী লীগের দুটি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত একজন ও আহত তিনজন। বিএনপি-এনসিপির মধ্যে তিনটি সংঘর্ষে আহত হয়েছে ১৬ জন। সাতটি বিএনপি ও অন্য দলের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে।

বিভিন্ন দলের মধ্যে সাতটি ঘটনায় আহত হয়েছে ৫০ জন ও নিহত একজন। নিহত চারজনের মধ্যে আওয়ামী লীগের দুজন, বিএনপির একজন ও জামায়াতের একজন।

এছাড়া আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে ৬৩টি বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা-লুটপাট চালানো হয়। যৌথ অভিযান ও বিশেষ অভিযানে ২৮৭টি ঘটনায় অন্তত ২১ হাজার ২০৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতায় ৩৫টি মব সহিংসতার ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছে। বিভিন্ন কারাগারে ২১ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও নির্যাতনে মারা গেছে তিনজন। পরিত্যক্ত স্থান ও নদী-খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬৯টি লাশ। পাশাপাশি ৩৫ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।

এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, সামাজিকমাধ্যমে মতপ্রকাশে বাধা, মব সহিংসতা ও কারা হেফাজতে মৃত্যু নাগরিক অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করছে। মানবাধিকার রক্ষায় সরকারকে দ্রুত জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category