তরুণদের ব্যবহারিক দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রযুক্তিভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বিশ্বমানের প্রযুক্তির পাশাপাশি নিজস্ব বাস্তব চাহিদা অনুযায়ী এআই প্ল্যাটফর্ম, ডেটাসেট ও প্রোগ্রামিং তৈরিতে দেশের তরুণ প্রযুক্তিবিদদের গবেষণার গভীরতা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে/ সরকার নীতিগত সমর্থন দেবে, কিন্তু কোন কোন সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কিভাবে এআই প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ সম্ভব—সেই পথনকশা ও কার্যকর সমাধানগুলো প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেই আসতে হবে।
তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আজ আর কেবল গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ নেই; বরং কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ম্যানুফ্যাকচারিং ও ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিসের মতো অর্থনীতির প্রতিটি খাতে বড় রূপান্তর আনছে। বিশেষ করে দেশের মোট অর্থনীতির বড় অংশজুড়ে থাকা কৃষিখাত এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রগুলোতে প্রযুক্তিগত ঘাটতি পূরণে এআই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।