সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে রায়েরবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নয়মুল হাসান বলেন, জুলাই জাদুঘরের পেছনে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ এবং বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের এলাকায় দুষ্কৃতকারীরা নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব বিস্ফোরক মজুদ করে থাকতে পারে।
তিনি বলেন, এসআরবির গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে বিস্ফোরক মজুদের স্থান শনাক্ত করা হয়। পরে বোম ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেল ও পেট্রোল বোমাগুলো শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করে।
এসআরবি-২ অধিনায়ক বলেন, কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা থাকলে তা নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এসব বিস্ফোরক কারা এনে সেখানে রেখেছে, তা শনাক্তে কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্টদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। এর পেছনে কারা রয়েছে, সেটিও খুঁজে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গত বছর একই এলাকার কাছাকাছি একটি স্থান থেকে পেট্রোল বোমা ও ককটেল উদ্ধারের প্রসঙ্গে নয়মুল হাসান বলেন, ওই এলাকাটি নিরাপত্তার দিক থেকে একটি চ্যালেঞ্জ। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় যে কেউ সেখানে আসা-যাওয়া করতে পারে। এ সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতকারীরা জায়গাগুলো বেছে নিতে পারে।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এসব স্থানকে নিরাপদ রাখার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসআরবির এই কর্মকর্তা আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে রাতে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে না। ককটেলগুলো এসআরবি-২ এর সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনের আলোয় সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে।