• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চাকরির ফাঁদে ৯৪ লাখ টাকা লুট, গ্রেফতার ১২

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫৭ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ফাইল ছবি

চাকরি পাওয়ার আশায় বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ্লিকেশন টেলিগ্রামে শুরু হয় যোগাযোগ। এরপর কমিশনের লোভ, একের পর এক অনলাইন অর্ডার আর অ্যাকাউন্টে দেখানো হচ্ছিল মুনাফার অঙ্ক। সেই মুনাফা তুলতে গেলেই সামনে আসত নতুন অজুহাত, দিতে হতো আরও টাকা

এভাবেই চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা। এই অনলাইন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের আরও দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

তারা হলেন—জুলহাস উদ্দিন (৩৯) ও প্রহড় (২৮)। এ নিয়ে এই চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হলো। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উলস্নাহ।

তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মধ্যেরাতে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

জানা গেছে, গত বছরের ২৪ আগস্ট মেহেদি হক নিয়নকে টেলিগ্রাম অ্যাপের একটি আইডি থেকে জ্যালস জুয়েলারি নামের প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট দেখে চাকরিতে আগ্রহী হন তিনি। এরপরই শুরু হয় প্রতারণার মূল কেৌশল। চক্রটি একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে তাকে একটি ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করে। প্রথমে সেখানে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্ন করলে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। কমিশন পাওয়ার পর ভুক্তভোগীর আস্থা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, পরবর্তী ধাপে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে উত্সাহিত করা হয়। একপর্যায়ে জানানো হয়, বিভিন্ন রাউন্ডে মোট ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিটি অর্ডারের সঙ্গে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে মুনাফার অঙ্ক দেখানো হতো। ফলে তার কাছে মনে হচ্ছিল, বিনিয়োগ করা টাকা দ্রুতই লাভসহ ফেরত পাওয়া যাবে। কিন্তু টাকা উত্তোলনের সময়ই পাল্টে যেত চক্রটির কৌশল।

মুনাফার টাকা তুলতে হলে আরও অর্ডার সম্পন্ন করতে হবে, দিতে হবে অতিরিক্ত অর্থ, এমন নানা অজুহাতে দফায় দফায় টাকা চাওয়া হয়। চক্রটির কথায় বিশ্বাস করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে একাধিকবার টাকা পাঠান নিয়ন। এভাবে শেষ পর্যন্ত তার কাছ থেকে মোট ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাত্ করা হয়।

বিশেষ পুলিশ সুপার ছুফি উলস্নাহ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পল্টন থানায় একটি মামলা করেন নিয়ন। পরে তদনে্ত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। এরই মধ্যে এই চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রপ্তোর করা হয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে মামলার ১৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় প্রহড়কে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category