• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গুম বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ ফেরানোর দাবি আখতারের

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩১ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

  • অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় জারি করা অধ্যাদেশগুলো ফিরিয়ে এনে দেশে চিরতরে গুম বন্ধের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। একই সঙ্গে গুমের অভিযোগের তদন্তে স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া এবং মানবাধিকার কমিশনকে কার্যকর ও স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ দাবি জানান। মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক আইন পাস, বিরোধী মত দমন এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণের প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, ‘কোনো বাহিনী গুম, খুন করতে পারবে না। একই সঙ্গে দেশের মানুষের মানবাধিকার ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত এবং রাষ্ট্রে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশের মানুষ যে সংসদ গঠন করবে, সেখান থেকে নতুন একটা রাষ্ট্রকাঠামোর দিশা পাবে।’
স
গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও বিএনপি সরকার গঠনের প্রথম দিনেই সেই গণরায় অস্বীকার করেছে।

তিনি বলেন, সংস্কার, মানবাধিকার এবং গুম-খুন বন্ধের পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেসব অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, সমস্ত অধ্যাদেশকে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তারা ল্যাপস করে দেয়, সেগুলোকে বাতিল ঘোষণা করে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুম বন্ধ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল উল্লেখ করে আখতার বলেন, সে সময় সরকার আরও শক্তিশালী আইন প্রণয়নের কথা জানিয়েছিল। জনগণের প্রত্যাশা ছিল, এসব আইনের মাধ্যমে অপরাধ দমন ও বিচারব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং নাগরিকের গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

সংসদে আনা নতুন আইনগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার শক্তিশালী আইন করার কথা বললেও তারা সংসদে এমন আইন নিয়ে এসেছে, যার ফলে অপরাধ আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং বিচারব্যবস্থা দুর্বল হয়েছে।

গুমের অভিযোগের তদন্তে স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি গুমের পরে স্বাধীন তদন্ত না হয়, যদি মানবাধিকার কমিশন সরকারের ইচ্ছামতো গঠিত হয়, মানবাধিকার কমিশন যদি সঠিকভাবে, স্বাধীনভাবে তদন্ত করতে না পারে—সেক্ষেত্রে কেমন করে আমরা বাংলাদেশের মানুষের অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত করতে পারবো?’

বিরোধীদলে থাকার সময় জাতিসংঘের অধীনে গুমের তদন্তের দাবি করা হলেও সরকারে এসে স্বাধীন সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব না দেওয়ার অভিযোগ করেন আখতার। তিনি বলেন, যে বাহিনীর বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ, তাদেরই যদি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে অভিযোগকারীই শাস্তির মুখে পড়েন, তাহলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ হারাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category