• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চানখারপুলের মেস থেকে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

জবি প্রতিনিধি / ৪৫ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিহত অনিক চন্দ্র পাল

রাজধানীর চানখারপুলে ছাত্র মেসের একটি কক্ষ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অনিক চন্দ্র পাল (২২) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত বংশাল থানাধীন বি কে গাঙ্গুলী লেনের মেসটির কক্ষের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করেন সহপাঠীরা।

পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অনিক জবির ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি সিলেটে। ঘটনার আগে দুই দিন ধরে তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল বলে সহপাঠী ও মেস সদস্যদের ভাষ্য। এরপর থেকে তিনি নিজ কক্ষে অনেকটা একাকী অবস্থায় ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রাথমিক ধারণা, সম্পর্কের বিচ্ছেদের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মেসের সদস্য ও জবি শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, সোমবার থেকে অনিকের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাতে অনিকের এক ব্যাচমেট ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে না পেয়ে মেসে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন।

জয় ভূঁইয়া বলেন, রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার দিকে আমরা দুজন অনিকের কক্ষের সামনে যাই। দীর্ঘক্ষণ দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাইনি। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। সন্দেহ হওয়ায় জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে তাকালে অনিককে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়। পরে দরজা খুলে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সহপাঠী ও মেস সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, মৃত্যুর দুই দিন আগে অনিকের সঙ্গে তার প্রেমিকার সম্পর্কের বিচ্ছেদ হয়। এরপর তার মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। বিচ্ছেদের পর থেকেই অনিক মেসে চুপচাপ থাকতেন এবং কারও সঙ্গে তেমন কথা বলতেন না বলে জানান তারা।

ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান জবির ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল।

তিনি বলেন, স্টুডেন্টরা আমাকে ঘটনা জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছাই। কিন্তু ততক্ষণে আমাদের স্টুডেন্ট আর বেঁচে ছিল না।

সুবাস পাল আরও বলেন, আমি ওর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। ওর বাবার সঙ্গেও কথা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আসার পর মেডিকেল ও থানার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। স্বজনদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category