নিহত জলিল একই এলাকার দিলু মুন্সির ছেলে।
হত্যাকান্ডের ঘটনাটি জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি এ এফ এম জাহিদুল ইসলাম।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সোয়া ৮টার দিকে কুলিবাগান আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জলিল। এ সময় তিনজন দুর্বৃত্ত একটি মোটরসাইকেলে এসে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
ওসি জানিয়েছেন, দৌলতপুর থানার পুলিশের সাদা পোশাকধারী টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থলের কাছেই অবস্থান করছিলেন। তারা নগরীর দৌলতপুর থানার মধ্যডাঙ্গার মো. রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেল (৩২), আসিফ মোল্লা (২৫) ও অজ্ঞাতপরিচয় একজনকে দেখতে পেয়ে ধাওয়া দেন। এ সময় আসিফ ও অজ্ঞাতপরিচয় যুবক মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান। রাসেল পিস্তলসহ পাশের বস্তিতে আত্মগোপন করেন।
রাসেল মাত্র ১৫ দিন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ওসি বলেছেন, ‘জলিলের বুকের ডান পাশের ওপরে ও পিঠের বাম পাশে ছিদ্র আছে। তবে একটি না দুটি গুলি লেগেছে তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব হচ্ছে না। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।