মিয়ামি-ডেড কাউন্টির মেয়র ড্যানিয়েলা লেভিন কাভা পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আহত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হয়েছে; বাকি দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলে কালো ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। উদ্ধারকাজে ৬০টির বেশি ফায়ার-রেসকিউ ইউনিট কাজ করে। উড়োজাহাজটিতে থাকা দুই পাইলটও দুর্ঘটনার পর কিছু সময় ককপিটে আটকে ছিলেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর মিয়ামি বিমানবন্দরের রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইটে বিলম্ব ও বাতিলের আশঙ্কা তৈরি হয়। পরে বিমানবন্দরের কিছু রানওয়ে আবার চালু করা হয়।
ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। উড়োজাহাজটি অ্যামাজনের হলেও এটি পরিচালনা করছিল কার্গো এয়ারলাইন ২১ এয়ার। অ্যামাজনও দুর্ঘটনার কারণ জানতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছে।
এখন পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।







