• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শাহজালালে বিমানের সিটের নিচ থেকে ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক / ৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি বিমানের সিটের নিচ থেকে ৮০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস। উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন ৯ হাজার ৩৩১ গ্রাম বা প্রায় ৯ দশমিক ৩৩ কেজি। কাস্টমসের হিসাবে এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।

গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড-৫২৩ ফ্লাইটে স্বর্ণ চোরাচালানের গোপন তথ্য পায় কাস্টমস হাউস, ঢাকা। তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্মকর্তারা বিমানটিতে বিশেষ তল্লাশি চালাতে উপস্থিত হন। এ সময় বিমানটি যাত্রীবিহীন অবস্থায় ছিল।

পরে রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে বিমানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে ১৯-এ নম্বর সিটের নিচে কালো স্কচটেপে মোড়ানো কয়েকটি প্যাকেট পাওয়া যায়।

প্যাকেটগুলো কাস্টমস হলে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে ইনভেন্টরি করা হলে ৮০টি স্বর্ণবার পাওয়া যায়। প্রতিটি স্বর্ণবারের ওজন ১১৬ দশমিক ৬৪ গ্রাম। সব মিলিয়ে স্বর্ণের ওজন দাঁড়ায় ৯ হাজার ৩৩১ গ্রাম।

কাস্টমস জানিয়েছে, স্বর্ণবারগুলোর কোনো দাবিদার পাওয়া যায়নি। বিমানের সিটের নিচে অত্যন্ত সুকৌশলে কালো স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় এগুলো লুকিয়ে আনা হয়েছিল। সরকারি শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণগুলো দেশে আনা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

কাস্টমসের ভাষ্য, সময়মতো অভিযান চালানো না হলে স্বর্ণগুলো বিমানবন্দরের বাইরে পাচার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। কাস্টমস হাউস, ঢাকা এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে এ চোরাচালান প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

আটক স্বর্ণের মূল্য বেশি হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কাস্টমসের মূল্যবান গুদামে জমা রাখা হয়েছে। স্বর্ণবারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় ৩ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দর থানায় একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৭।

কাস্টমস হাউস, ঢাকা জানিয়েছে, দেশীয় অর্থনীতি রক্ষা ও স্বর্ণসহ বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category