মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি খাতাম আল-আনবিয়া এয়ার ডিফেন্স বেস প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে এসব তথ্য জানান।
সাদেঘিয়ান বলেন, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রধান চারটি দায়িত্ব হলো আকাশপথে আসা লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা, নজরদারি চালানো, বাধা প্রদান এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষার মূল কাজ হলো ইরানের আকাশসীমা এবং এর বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তুকে শনাক্ত করা। এরপর সেগুলোর পরিচয় নির্ধারণ করা হয় এবং প্রয়োজন হলে যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো শত্রুপক্ষের বিমানকে তাদের মিশন সম্পন্ন করতে বাধা দেওয়া এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করা।
তিনি আরও জানান, মরুভূমি, উপকূল, দ্বীপাঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।
সাদেঘিয়ান বলেন, উন্নত রাডার নেটওয়ার্ক, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত নজরদারি ইউনিটগুলো ২৪ ঘণ্টা ইরানের আকাশসীমা ও এর বাইরের আকাশপথ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে।