১. সাহাবিদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ইবাদতের প্রতি আগ্রহ : রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবিদের ঈমান ও নেক আমলের প্রতি আগ্রহ এত প্রবল ছিল যে তারা আল্লাহর পথে দান করতে না পারার বিষয়টি নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে অভিযোগ করেছিলেন।
২. সঠিক নিয়তের মাধ্যমে বৈধ কাজও ইবাদতে পরিণত হয় : বৈধ ও সাধারণ কাজও সৎ নিয়তের কারণে ইবাদত হয়ে যায়। যেমন—স্বামী-স্ত্রীর যৌন সম্পর্কও ইবাদত হতে পারে যদি এর নিয়ত হয় স্ত্রীর অধিকার আদায় করা, আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী উত্তমভাবে দাম্পত্য জীবন পরিচালনা করা, নেক সন্তান লাভের আশা করা, নিজেকে ও স্ত্রীকে হারাম দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তা বা আকাঙ্ক্ষা থেকে রক্ষা করা অথবা অন্য কোনো নেক উদ্দেশ্য।
৩. কিয়াসের (সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিধান নির্ণয়) বৈধতা : এই হাদিসে কিয়াসের বৈধতার প্রমাণ আছে।
৫. বৈধ কাজ করার সময় ভালো নিয়ত করা উচিত : মানুষের উচিত সাধারণ ও বৈধ কাজগুলোও উত্তম নিয়তের সঙ্গে করা, যাতে সেগুলো ইবাদতে পরিণত হয় এবং তার জন্য সওয়াব অর্জিত হয়।
৬. আলেমের উচিত অস্পষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে দলিল উল্লেখ করা : কোনো বিষয় মানুষের কাছে অস্পষ্ট হতে পারে মনে হলে আলেমের উচিত তার পক্ষে প্রমাণ বা দলিল তুলে ধরা।
৭. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে প্রশ্ন করা বৈধ : যে ব্যক্তি প্রশ্ন করছেন, তিনি যদি এমন ব্যক্তির কাছে প্রশ্ন করেন, যিনি প্রশ্নটি অপছন্দ করবেন না এবং প্রশ্নের মধ্যে কোনো বেয়াদবি না থাকে, তাহলে যে বিষয়টি তার কাছে অস্পষ্ট, সে বিষয়ে দলিল বা ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া বৈধ।