• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আর কোনো গুম নয়, নিরপেক্ষ তদন্ত চাই : রুহুল কবির রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৯ Time View
Update : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

ছবি : সংগৃহীত
গুমের শিকার বিশ্বের সব ব্যক্তি এবং তাদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সংহতি জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার (২৯ আগস্ট) মধ্যরাতে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, গুম শুধু একজন মানুষকে তার পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া নয়; এটি মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও জীবনের অধিকারের ওপর নির্মম আঘাত। বছরের পর বছর প্রিয়জনের ফেরার অপেক্ষা, তার ভাগ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং সত্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার যন্ত্রণা কোনো পরিবারের বহন করা উচিত নয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে গুম রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও ভিন্নমত দমনের ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীসহ বহু মানুষ এর শিকার হয়েছেন। অনেক পরিবার এখনো জানে না তাদের প্রিয়জন কোথায় বা কী অবস্থায় আছেন। তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা জাতীয় বিবেকের সামনে গভীর দায় হয়ে আছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, গুমের প্রতিটি ঘটনার সত্য উদঘাটন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অপরিহার্য শর্ত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও যথাযথ পুনর্বাসন নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
রিজভী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা আর কখনো নাগরিকের বিরুদ্ধে গুমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে এবং রাজনৈতিক পরিচয় বা মতভিন্নতার কারণে কোনো নাগরিকের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা যেন বিপন্ন না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক— আর কোনো গুম নয়, আর কোনো পরিবারকে অনন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে না।’
যারা এখনো নিখোঁজ, তাদের প্রত্যেকের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য প্রকাশের দাবি জানান রিজভী। যারা ফিরে এসেছেন, তাদের অভিজ্ঞতার ন্যায়বিচার এবং যারা আর কখনো ফিরবেন না, তাদের পরিবারের সত্য, স্বীকৃতি ও বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
বাণীর শেষাংশে গুমের শিকার সব ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সংহতি জানিয়ে রিজভী বলেন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি তাদের পাশে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category