• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিককে কান ধরে দেখাতে হবে কয় টাকা উত্তোলন করা হয়েছে: আম্মার

রাজশাহী ব্যুরো / ৫২ Time View
Update : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) খরচের বিল-ভাউচার প্রসঙ্গে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। এর মধ্যেই সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় মন্তব্য করেছেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।

‘রাজশাহী সমাচার’ নামের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আম্মার বলেন, যে সাংবাদিক এই নিউজ করেছে তার কান ধরে কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে নিয়ে দেখাতে হবে কয় টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সেখানের তথ্যের সঙ্গে নিউজের তথ্যের কোনো মিল নেই।

আরেকটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ভাউচার না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

এর আগে ‘সকাল বেলা’য় প্রকাশিত প্রতিবেদন নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে সাংবাদিকদের উদ্দেশে অবাঞ্ছিত মন্তব্য করেন আম্মার। পরে আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, রাকসুর তহবিলের টাকা মেরে খেয়েছে ভিপি, জিএস, এজিএস, সম্পাদকরা!! এখনো রাকসুর মেয়াদ শেষ হয়নি। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাদের অডিট হবে। জনগণের সামনে স্ব স্ব সম্পাদক নিজেদের হিসাব দেবেন। তারপর যা প্রশ্ন ওঠার উঠবে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের ব্যয়-সংক্রান্ত একটি নথি থেকে জানা গেছে, চলতি মেয়াদে ৪২টি কর্মসূচিতে রাকসুর তহবিল থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি। এরমধ্যে এককভাবে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার উত্তোলন করেছেন ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। তিন ধাপে নেওয়া ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার খরচের কোনো হিসাব বা ভাউচার জমা দেননি তিনি।

প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাকসু। বৃহস্পতিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পরেই রাকসুর আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়। কমিটি তহবিলে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার হিসাব যায়। এর ২ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট (এফডিআর) করার এবং অবশিষ্ট প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা রাকসুর বর্তমান কার্যবর্ষে শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয়ের সুযোগ রাখার বিষয়ে রাকসুর অধিবেশনে অ্যাজেন্ডা গৃহীত হয়। বিভিন্ন শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে অর্থ ব্যয় করা হবে, কার্যবর্ষ শেষে সেসব ব্যয়ের যথাযথ হিসাব সরকারি অডিটের আওতায় আসবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাকসুর কার্যবর্ষের এখনও প্রায় দুই মাস চলমান থাকা এবং বিভিন্ন বিভাগের একাধিক কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থাতেই কিছু ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ বা আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে রাকসুর আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ হিসাব-নিকাশ ও সরকারি অডিট এখনও সম্পন্ন হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category