ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদে উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মন্ত্রীরা। বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সিইসি রাষ্ট্রপতি পদে দুই প্রার্থী , তাঁদের প্রস্তাবক ও সমর্থকের নাম ঘোষণা করেন। তিনি সংসদ সদস্যরা কীভাবে ভোট দেবেন তার নিয়ম বলে দেন। ব্যালট পেপারে পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করার কথা বলেন। ব্যালট বাক্সে কীভাবে ব্যালট পেপার রাখবেন তা বলে দেন। বিকেল পাঁচটার পর ভোট গণনা শুরু হবে বলে জানান।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বর্তমানে সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকায় ভোট গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের আলাদা বৈঠক ডাকা হয়েছে। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করার পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনা করবেন সিইসি।
সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ভোট দেবেন। প্রথমে ব্যালট পেপারের মুড়ি অংশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ব্যালট গ্রহণ করবেন। এরপর মূল ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে আবার পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন।
রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনরত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালও সংসদ সদস্য হিসেবে এই নির্বাচনের ভোটার। তাঁদের ভোট দেওয়ার জন্য সংসদ কক্ষে আলাদা আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনি নিজেও ভোট দিতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার্যভার গ্রহণের দিন তাঁর সংসদীয় আসন শূন্য হবে। অন্যদিকে অলি আহমদ সংসদ সদস্য নন। তাই তিনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন না।
৩৫ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হচ্ছে। ভোট শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদকক্ষে ভোট গ্রহণ চলবে। ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।
নির্বাচনে প্রার্থী দুজন। ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ। সংসদে বিএনপির সদস্য ২৪৭ জন। সংখ্যার এই ব্যবধানের কারণে মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া কার্যত নিশ্চিত। তবে দুজন প্রার্থী থাকায় তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণ করতে হচ্ছে।