বুধবার (১৯ আগস্ট) বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির গত ১৩ আগস্টের সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পর এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৮ জুন অনুষ্ঠিত এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত থেকেও ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের (রিভিউ) আবেদন করেন।
অন্য একজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় সম্পূর্ণ সাদা খাতা জমা দেওয়ার পরও ফলাফল রিভিউয়ের আবেদন করেন।
অভিযোগের বিষয়ে উভয় প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
তবে তাদের দেওয়া জবাবকে বাস্তবতাবিবর্জিত, খামখেয়ালিপূর্ণ এবং কোনোভাবেই সন্তোষজনক নয় বলে বিবেচনা করে এনরোলমেন্ট কমিটি।
কমিটি মনে করে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সঙ্গে সচেতনভাবে প্রতারণার শামিল।
ভবিষ্যতে তারা আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলে সাধারণ মানুষের আইনগত সেবা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
আইন পেশার উচ্চ মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে পরীক্ষার্থীদের বিরত রাখতে কঠোর বার্তা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে দুই প্রার্থীকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া দুই প্রার্থী হলেন- মুহাম্মদ সাইফুল আমিন ও এম. আর. আকাশ। তাদের বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভবিষ্যতের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরীক্ষায় কোনো ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।







