• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিসিএস প্রশ্নফাঁস: জামিন নিতে এসে কারাগারে পিএসসি কর্মকর্তা

আদালত প্রতিবেক / ৫১ Time View
Update : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

ঢাকা  মহানগর দায়রা জজ আদালত

বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পল্টন থানার মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা না-মঞ্জুর করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আজ কৌশিক দেবনাথ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। তার পক্ষে আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম শুনানি করেন। তিনি আদালতকে বলেন, মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। তিনি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িত নন।

তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত কৌশিক দেবনাথের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ৭ জুলাই হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন কৌশিক দেবনাথ। তখন তাকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ৮ জুলাই পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে মামলাটি করেন সিআইডির উপপরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র চন্দ। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত ১৮ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা আবেদ আলীসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা আবেদের নেতৃত্বে পরীক্ষার আগেই বাছাই করা প্রার্থীদের কাছে প্রশ্ন ও তার উত্তর পৌঁছে দেওয়া হতো। পরে তাদের নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো। এ জন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে আগাম মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হতো।

তদন্তে আরও বলা হয়েছে, প্রশ্নফাঁস চক্রটির কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন জেলায় বিস্তৃত ছিল। এতে সরকারি চাকরিজীবী, পিএসসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ যুক্ত ছিলেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রশ্নফাঁসের এই নেটওয়ার্ক বিজি প্রেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি এনজিও পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থেকে পরীক্ষার গোপনীয়তা ভঙ্গ করে সরকারি নিয়োগব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩-এর ১১ ও ১৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category