• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর খুব শিগগির হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪১ Time View
Update : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুব দ্রুত ভারত সফর করা উচিত বলে মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আরো অনেক আগেই হওয়া উচিত।

শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের যেকোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব বলেও মনে করেন ভারতের এই হাইকমিশনার।

রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের বাংলাদেশে অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তাঁর স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বৈঠকের মাধ্যমেই সমস্যাগুলো সমাধান করা যায় এবং আমি খুবই আশাবাদী।’

বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হূদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর প্রধান লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে একটি সোনালি সময় প্রতিষ্ঠা করা বলে মন্তব্য করেন হাইকমিশনার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। দুই দেশেরই কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, আর গণতন্ত্রে চ্যালেঞ্জ থাকা স্বাভাবিক। দুই দেশের নিজেদের প্রয়োজনীয় পরিসর, মতপার্থক্য ও যুক্তি-তর্ক থাকতে পারে; এগুলোও স্বাভাবিক।

তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদিকে ‘জনগণের মানুষ’ হিসেবে উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই নেতার লক্ষ্যও অভিন্ন।

এমন দুই নেতা যখন বৈঠক করেন এবং পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের বর্তমান ও সাবেক কূটনীতিকরা অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category