• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
Headline
তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ধারার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন দাবি পাহাড়ে

বান্দরবান প্রতিনিধি / ৪১ Time View
Update : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

বান্দরবানে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসের শোভাযাত্রা। রবিবার শহরের ট্রাফিক মোড়ে। ছবি : কালের কণ্ঠ

পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ। পরনে নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাক।

সবাই জড়ো হয়েছে রাজমাঠে। সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশ। উৎসবের মধ্যেই সবার দাবি এক—পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ধারাগুলো দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।আজ রবিবার (৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস।

দিবসটি দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো পালিত হচ্ছে বান্দরবানেও। ‘আদিবাসীদের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্ব সংরক্ষণে আদিবাসী সমাজের সৃজনশীল শক্তি প্রয়োগ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচি পালন করছে জেলার বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী।এ উপলক্ষে বেলা ১২টায় জেলা শহরের রাজমাঠে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এর আগে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে রাজমাঠে জড়ো হয়।

এ সময় সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং। বান্দরবান আদিবাসী ফোরামের সভাপতি ডা. মং উসাথোয়াইয়ের সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অস্তিত্ব রক্ষায় তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।

বক্তারা দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ধারাগুলো দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা উপজাতিদের আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমির অধিকার, শিক্ষা ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময়  পার্বত্য জেলায় অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভূমি ও ঐতিহ্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।আলোচনা সভা শেষে রাজমাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রাজমাঠে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, খুমী, লুসাইসহ বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। তারা নিজ নিজ জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category