জোটের নতুন দায়িত্বে ব্যারিস্টার নাসিমা খান
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের লিয়াজো কমিটির মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিটিংয়ে সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উল্লেখ্য যে, বিগত ০২/০৮/২০২৬ইং তারিখে প্রেস ক্লাবে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ নুরুল ইসলাম বিএনপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। এক পর্যায়ে তিনি সরকার বিরোধী আন্দোলনের ডাক ও দেন। তখন Somoy TV, Chanel I, Mohona TV ও RTV সহ বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া সংবাদ সংগ্রহ করেছিল বিধায় তার বক্তব্য সংশোধন করা সম্ভব হয় নাই। ফলে বিভিন্ন মিডিয়ায় তার বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু আমরা বিএনপির শরীক জোটে আছি সেহেতু তাকে বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য জোটের নেতৃবৃন্দ চাপ প্রয়োগ করিলে ও তিনি অস্বীকৃতি জানান।
অপরদিকে বিগত ৪ আগস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে তাকে বক্তব্যের সুযোগ না দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান স্থলে হট্টগোল শুরু করেন। এক পর্যায়ে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে শান্ত হতে বাধ্য করেন। ২ ও ৪ আগস্ট তার এই বিতর্কিত বক্তব্য ও কার্যক্রমের জন জোটের নেতৃবৃন্দ ও জোটে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন। এক পর্যায়ে নুরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জোটের সকল দলের নেতৃবৃন্দ সর্বসম্মতিক্রমে তাকে জোট থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। ডাঃ নুরুল ইসলাম ও এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়।
উক্ত মিটিং এ ব্যারিস্টার নাসিমা খান কে সর্ব সম্মতিক্রমে জাতীয়তাবাদী সমমনাজোটের প্রধান সমন্বয়কারী হিসাবে নির্বাচিত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাত, গনদলের চেয়ারম্যান এটি এম গোলাম মাওলা চৌধুরী, এনপিপির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তিফা, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী, মুসলিম লীগ চেয়ারম্যান ব্যরিষ্টার নাসিমা খান, এনডিপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল, ডিএল এর সভাপতি মাইনউদ্দিন কাদেরী, জাগপার সভাপতি জাকির হোসেন রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, আবু সৈয়দ, রেজওয়ান মর্তুজা, জামিল আহম্মেদ, আব্দুল বারিক, সাইফুল আলম, সুরাইফুল ইসলাম, জহির