• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
Headline
সরকারি বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজন, জরিমানা ৮০ হাজার ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য  সরকার-বিএনপি গ্রহণ করেনি সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলা, বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা-টোকিও সম্পর্ক সুদৃঢ় করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এইচএসসির ফল প্রকাশ শনিবার, জানা যাবে যেভাবে সিপিবির কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ আজকের নামাজের সময়সূচি (২৮ অক্টোবর) স্থলভাগে প্রবেশ করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, উপকূলে তাণ্ডবের শঙ্কা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো

প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে নতুন যাত্রাপথ রচনা হবে : ড. ইউনূস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলানগরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করেন। এর মধ্য দিয়ে এই স্মৃতি জাদুঘরের দুয়ার সবার জন্য উন্মুক্ত হলো। ছবি : পিআইডি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়।

এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যাঁরা হতাহত হয়েছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে।’

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলানগরে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন শেষে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এবং সংস্কৃতিসচিব কানিজ মাওলা বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রায়ই একটি কথা বলি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের আর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। জনগণ যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের ভোলেনি একইভাবে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় শহীদদেরও ভুলবে না।’ ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থপতি, ইতিহাসবিদ, গবেষক, জাদুঘর বিশেষজ্ঞ, শিল্পী, সংগ্রাহক, কারিগর, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সহযোগী সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

লাল টেলিফোনে হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী : ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধনের পর জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় তিনি জাদুঘরে সংরক্ষিত একটি লাল টেলিফোনে রেকর্ড করা শেখ হাসিনার কলের অডিও শোনেন। পরে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। তিনি জাদুঘরের সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারকগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত হন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাসভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেন। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই জুলাইয়ের নানা স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে গণভবনে তৈরি করা হয় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। গতকাল উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি শুধু আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য খোলা ছিল। আজ বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য জাদুঘরটি উন্মুক্ত থাকবে।

শহীদের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের নামে প্রত্যেকের নিজ নিজ এলাকায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা সড়কের নামকরণ করা হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা করানো হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ৫০ জন জুলাই যোদ্ধা বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি জুলাই যোদ্ধাকে তাঁদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শ্রেণিভিত্তিক মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সহায়তা করার ব্যাপারে বর্তমান সরকার আন্তরিক।’

জুলাই সনদও বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বর্তমান সরকার শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজও শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ৩১ দফা নির্বাচনী ইশতেহারের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায় স্বাক্ষরিত জুলাই সনদও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে গণভোটের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে গঠিত ‘সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ও কাজ শুরু করেছে। দেশ পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভরসমৃদ্ধ নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ব ইনশাআল্লাহ।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি এই অনুষ্ঠানে একটি বিষয়ে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা শুরু করেছে। এসব পরিস্থিতি তৈরি করে তারা নিজেদের অজান্তেই পতিত পরাজিত পলাতক স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করছেন কি না সেটি ভেবে দেখা প্রয়োজন আমাদের।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে গণতন্ত্র ও জনগণের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের জন্য। এই বাংলাদেশ আর কখনোই তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না ইনশাল্লাহ।’

আগস্ট গণতন্ত্রের ইতিহাসের যুগান্তকারী মাইলফলক : প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দিনটি বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইতিহাসে আরেকটি যুগান্তকারী মাইলফলক। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম-অপহরণের শিকার  হয়েছিলেন। লাখ লাখ মানুষ নির্যাতন-নিপীড়ন, হামলা কিংবা মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর ঘরবাড়ি ছাড়া হয়েছিলেন। শুধু জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানেই শহীদ হয়েছিলেন হাজারো ছাত্র-জনতা নারী ও শিশু। আহত হয়েছিলেন কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ। আমি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। হতাহতদের পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান ঠেকাতে ফ্যাসিস্ট চক্র হেলিকপ্টার থেকে গুলি করেও গণতন্ত্রকামী জনগণকে হত্যা করেছিল। পতিত পরাজিত বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের এমন নৃশংসতা- এমন বর্বরতা সভ্য জগতে বিরল। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম-খুন-অপহরণকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করে ফেলা হয়েছিল।  দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই নৃশংসতা  শুধু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে তিন বছরের দুঃশাসনের সঙ্গেই তুলনা চলে। এমন বাস্তবতায়, ঐতিহাসিক ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তাঁদের পূর্বসূরিদের সাহসী ইতিহাস যেমন তুলে ধরবে, অপরদিকে তাঁদের সামনে উম্মোচিত হবে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষী, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র কখনোই দেশে গণতান্ত্রিক শাসনকে মেনে নিতে পারেনি। এদেরই পূর্বসূরিরা ১৯৭৫ সালে সংবিধান পরিবর্তন করে দেশে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিল। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে দেশে পুনরায় বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এসব ইতিহাস ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এ সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অবশ্যই উপকৃত হবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আশা করি, এই জাদুঘরে জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের পরিচয় ও জীবনকথা, আহতদের সাক্ষ্য, অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী বীর ছাত্র-জনতার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, সংবাদ প্রতিবেদন, পোস্টার, দেয়াল লিখন, গ্রাফিতি, কার্টুন, কবিতা, গান, নাটক, চিত্রকর্ম, ব্যক্তিগত স্মারক ও ডিজিটাল উপাদানও সংরক্ষিত থাকবে। যাঁরা নিজেদের ব্যক্তিগত স্মারক, দলিল, আলোকচিত্র, শিল্পকর্ম এই জাদুঘরের জন্য প্রদান করেছেন, তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে নতুন যাত্রাপথ রচনা হবে— মুহাম্মদ ইউনূস : অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এখান (জুলাই স্মৃতি জাদুঘর) থেকে নতুন যাত্রাপথ রচনা হবে। আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এখানে এসে পথ খুঁজে নেব। যদি আমাদের চিন্তায় কোনো গাফিলতি আসে, আমরা এখানে তার ঠিকানা বের করব। আমরা নতুন সূত্রে আবার যাত্রাপথ শুরু করব।’

শহীদ আনাসের চিঠির কথা তুলে ধরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা গেলাম, আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চলে গেলাম। এই হচ্ছে জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য।’

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমাতুজ্জোহরা, শাহরিয়ার খান আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং জুলাই যোদ্ধা নিশাত তাবাসসুম প্রাপ্তি মর্মস্পর্শী বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদসহ সরকারি ও বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category