২০০৫ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকের পর বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ টেস্ট খেলার বিরল কীর্তি গড়েন মুশফিক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলা পর্যন্ত সাবেক অধিনায়ক ১০৩ টেস্টের ১৯০ ইনিংসে ৩৯.১১ গড়ে ৬ হাজার ৮০৬ রান করেন। তিনটি ডাবল সেঞ্চুরিসহ তার সেঞ্চুরি ১৪টি, যা দেশের পক্ষে সর্বাধিক। হাফ সেঞ্চুরি ২৯টি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০১৭ সালে দুই টেস্টের চার ইনিংসে একটি হাফ সেঞ্চুরিসহ ১৫৮ রান করেছিলেন তিনি। অভিষেক টেস্টে ১৯ রান করলেও শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে বিরল রেকর্ড বইয়ে নাম লেখেন মুশফিক। চাপের মুখে তিনি ১০৬ রান করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৫৩ রান।
মুমিনুলের টেস্ট ক্যারিয়ার ১৪ বছরের। ২০১২ সালে গলে অভিষেক টেস্টে ৫৫ রান করেন। দারুণ ছন্দে বাঁ-হাতি ব্যাটার। ৭৮ টেস্টে ১৪৫ ইনিংসে ৩৮ গড়ে রান করেছেন ৫ হাজার ১৩১। সেঞ্চুরি ১৩ এবং হাফ সেঞ্চুরি ২৮টি। সাবেক অধিনায়ক বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টের উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন। ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে তিনি রান করেন ১৭৬ ও ১০৫। ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক টেস্টের দুই ইনিংসে রান করেছিলেন ৩১ ও ২৯। সর্বশেষ ৯ ইনিংসের পাঁচটিতে টানা হাফ সেঞ্চুরি করেন। টানা হাফ সেঞ্চুরির ইনিংসগুলো ৫৬, ৯১, ৮৭, ৬৩ ও ৮২।
ইনজুরিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলারই সুযোগ ছিল না লিটনের। ম্যাকেইতে দ্বিতীয় টেস্ট খেলার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু নাটকীয়ভাবে ডারউইন টেস্টে সুযোগ পেয়ে যান ফিটনেস টেস্টে পাস করে। ২০১৫ সালে লিটনের অভিষেক ভারতের বিপক্ষে ফতুল্লায়। ১১ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩৬.৪৭ গড়ে রান করেছেন ৩ হাজার ৩৫৬। অধিনায়ক নাজমুল বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টের উভয় ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি করেছেন দুবার। ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে খেলেন ১৪৬ ও ১২৪ রানের ইনিংস। ২০২৫ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪৮ ও অপরাজিত ১২৫ রানের ইনিংস খেলেন। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডে হঠাৎ টেস্ট অভিষেক নাজমুলের। এরপর ৪২ টেস্টের ৭৯ ইনিংসে ৩৩.৪৯ গড়ে ২ হাজার ৫৭৯ রান করেন টাইগার অধিনায়ক। সেঞ্চুরি ৯টি ও হাফ সেঞ্চুরি ৬টি। এই চার ব্যাটারের পারফরম্যান্সের ওপরই নির্ভর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের সাফল্য।







