• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মানবিক সমাজব্যবস্থা গড়লে থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণ সম্ভব

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক / ৬৬ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

 জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। ছবি সংগৃহীত
সবাই মিলে মানবিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলেই থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির (বিটিএস) আয়োজনে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে‘রক্তদাতা সম্মাননা-২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
জুবাইদা রহমান বলেন, থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পরিবারে সহযোগিতা ও আশ্বাস দেওয়া জরুরি। তারা অবহিত নন যে, এটি একটি প্রতিরোধযোগ্য ব্যাধি এবং এর চিকিৎসা সম্পর্কেও তারা অবহিত নন। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত ব্যক্তিও স্বাস্থ্যকর জীবন অতিবাহিত করতে পারে।
দেশে থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের জন্য দেশব্যাপী ডেটাবেজ (রেজিস্ট্রি) তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি, দেশজুড়ে থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত এবং বিরল রোগে আক্রান্ত মানুষদের একটি ডেটাবেজ প্রস্তুত করার পথে এগিয়ে যাওয়া এবং একটি রেজিস্টার মেইনটেইন করা প্রয়োজন। থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধাদের শতভাগ সুস্থ করতে না পারলেও তাদের ও পরিবারকে সান্ত্বনা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে আশ্বাসের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
সচেতনতা সৃষ্টির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, অন্তঃসত্ত্বাকালীন সময়েও স্ক্রিনিং করে এটি শনাক্ত করা যায়। যেকোনো বয়সেই স্ক্রিনিং টেস্টের মাধ্যমে রোগটি ধরা পড়ে। দেশবাসীকে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি ও শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে চালানো যায়।
তিনি আরও বলেন, এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সময় তাদেরকে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান দেওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এর উপসর্গ, চিকিৎসা ও রোগীকে আশ্বস্ত করার পদ্ধতি সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়।
শনাক্ত হওয়া রোগীদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করার পরামর্শ দিয়ে জুবাইদা রহমান বলেন, শনাক্তকরণের পর ধাপে ধাপে ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করা যায়— থ্যালাসেমিয়া মেজর, থ্যালাসেমিয়া মাইনর এবং থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট। চিকিৎসকরা যতদূর সম্ভব সতর্কতা ও সংবেদনশীলতার সাথে চিকিৎসা দিলে রোগী ও তার পরিবার অনেকাংশে চিন্তামুক্ত ও আশ্বস্ত হবেন।
স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের তাদের এই অসামান্য মানবিক কাজের জন্য জানাই অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। আমি আজ বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই আমার কন্যা জাইমা রহমানকে, যিনি একজন স্বেচ্ছায় রক্তদাতা। এযাবৎ তিনি সাতবার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন।
বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category