বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে।অভিযুক্ত ফারুক হোসেন উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জামায়াত নেতা ফারুক ওই গৃহবধূকে টাকা-পয়সার লোভ দেখিয়ে সম্পর্ক তৈরি করে। এরপর সুযোগ বুঝে ওই গৃহবধূর ঘরে আসা যাওয়া ছিল তার।
তার পরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।’অন্যদিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম বলেন, ‘ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার ছেলের বউকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিসও হয়েছিল। এর পরও সে আমার ছেলের বউকে কুপ্রস্তাব দিত।’
তবে ভুক্তভোগী গৃহবধূর তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।