• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
Headline
টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন  ৫৫ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১০ জন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাঁঠালিয়ায় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি

দেড় কোটির বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

জাতিসংঘের লোগো। ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘের প্রতিবেদন

  বাংলাদেশে প্রায় এক কোটি ৫৩ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার (আইপিসি ফেজ ৩ বা তার ওপরে) মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় চার লাখ ৮৩ হাজার মানুষ অতিসংকটজনক বা জরুরি অবস্থার (আইপিসি ফেজ ৪) মধ্যে জীবন যাপন করছে।
চলতি বছরের মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বিদ্যমান। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে, যেখানে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে এক কোটি ৮১ লাখে দাঁড়াতে পারে, যার মধ্যে সাত লাখ ৮৭ হাজার মানুষ চরম জরুরি অবস্থায় পড়বে।

দেশের ১০ কোটি ২০ লাখ মানুষের ওপর চালানো জাতিসংঘের এক যৌথ সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) নেতৃত্বে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক উচ্চ পর্যায়ের কর্মশালায় জাতিসংঘের ‘ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন’ (আইপিসি)-এর সর্বশেষ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং গেইনের মতো যৌথ সহযোগী সংস্থাগুলো এতে অংশগ্রহণ করে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম, হাওর অঞ্চল, কিছু উপকূলীয় জেলা এবং কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা সবচেয়ে প্রকট। প্রতিকূল আবহাওয়া, বারবার বন্যা, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ও খাদ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী জানান, তথ্যভিত্তিক এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও প্রান্তিক মানুষের সক্ষমতা বাড়াতে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেন। এফএও প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি জলবায়ু সহনশীল ও স্মার্ট কৃষিতে বিনিয়োগের আহবান জানান।

অন্যদিকে ডব্লিউএফপির প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামা উল্লেখ করেন, বন্যা ও ভারি বৃষ্টিপাতের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে ডব্লিউএফপি এরই মধ্যে পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে।

সংকট কাটাতে বিশেষজ্ঞ ও সরকারি প্রতিনিধিরা জরুরি ভিত্তিতে জীবন রক্ষাকারী খাদ্যসহায়তা প্রদান, জলবায়ু সহনশীল কৃষি খাত পুনর্গঠন, জীবিকা পুনরুদ্ধার এবং দ্রুত দুর্যোগ সতর্কবার্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category