• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
Headline
যুবদল আপনাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, ভাই: বিএনপি নেতাদের সহযোগিতার আহ্বান মুন্নার টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন  ৫৫ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১০ জন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাঁঠালিয়ায় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

ইলিশের অবৈধ চালান আটক বেনাপোল বন্দরে

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি / ৫১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা ১২ প্যাকেজ ইলিশের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তারা বন্দরের ৩১ নম্বর শেডে অভিযান চালিয়ে চালানটি আটক করেন।

কাস্টমস সূত্র জানায়, সাদা মাছের ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে একটি মাছের চালান আমদানি করা হয়। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাকটি তল্লাশি করলে ২৬৪ প্যাকেজ সাদা মাছের মধ্যে ১২ প্যাকেজ ইলিশ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আমদানিকারক হিসেবে সর্নালী এন্টারপ্রাইজ এবং চালান পাচারে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে কামরুলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শাউন সিপিংয়ের বিরুদ্ধে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইলিশের চালানটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আটক করা ইলিশ নিলামের প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি বেনাপোল কাস্টমস মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ৫৩ কার্টন ইলিশ আটক করেছিল। ওই চালানের সঙ্গে লিংক ইন্টারন্যাশনাল নামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং জান্নাত এন্টারপ্রাইজ নামের আমদানিকারকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আটক করা ইলিশ চন্দনা ইলিশ নামে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, কিছু আমদানিকারক কম দামের ভারতীয় ইলিশ দেশে এনে পদ্মার ইলিশ হিসেবে বিক্রি করে থাকেন।

এদিকে, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে বেনাপোল বন্দরে পণ্য পাচার ও বিভিন্ন অনিয়ম বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বন্দরের একাধিক ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তদন্ত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category