বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা ১২ প্যাকেজ ইলিশের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তারা বন্দরের ৩১ নম্বর শেডে অভিযান চালিয়ে চালানটি আটক করেন।
কাস্টমস সূত্র জানায়, সাদা মাছের ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে একটি মাছের চালান আমদানি করা হয়। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাকটি তল্লাশি করলে ২৬৪ প্যাকেজ সাদা মাছের মধ্যে ১২ প্যাকেজ ইলিশ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আমদানিকারক হিসেবে সর্নালী এন্টারপ্রাইজ এবং চালান পাচারে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে কামরুলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শাউন সিপিংয়ের বিরুদ্ধে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইলিশের চালানটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আটক করা ইলিশ নিলামের প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি বেনাপোল কাস্টমস মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ৫৩ কার্টন ইলিশ আটক করেছিল। ওই চালানের সঙ্গে লিংক ইন্টারন্যাশনাল নামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং জান্নাত এন্টারপ্রাইজ নামের আমদানিকারকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।
কাস্টমস সূত্র জানায়, আটক করা ইলিশ চন্দনা ইলিশ নামে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, কিছু আমদানিকারক কম দামের ভারতীয় ইলিশ দেশে এনে পদ্মার ইলিশ হিসেবে বিক্রি করে থাকেন।
এদিকে, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে বেনাপোল বন্দরে পণ্য পাচার ও বিভিন্ন অনিয়ম বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বন্দরের একাধিক ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তদন্ত হয়েছে।