জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার ৩১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদিত এ কমিটিতে মোঃ জাকারিয়া আলম (বাপ্পি) কে সভাপতি এবং মোঃ আব্দুল বাতেন কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।নবগঠিত এ কমিটিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত যোগ্য,অভিজ্ঞ ও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন,নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জে জিসাসের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
জিসাসের এই নতুন কমিটি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া,তরুণ ও নবীন প্রজন্মকে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা,সাহিত্য,সংগীত,নাটক,আবৃত্তি ও শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।পাশাপাশি সমাজে সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলা এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।
নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ জাকারিয়া আলম (বাপ্পি) বলেন কেন্দ্রীয় কমিটি আমার ওপর যে আস্থা ও দায়িত্ব অর্পণ করেছে,তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। কিশোরগঞ্জে জিসাসকে একটি শক্তিশালী,সক্রিয় ও সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সংস্কৃতিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করাই হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সকলের সহযোগিতায় আমরা জেলার প্রতিটি উপজেলায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করব।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বাতেন বলেন,এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সভাপতি মহোদয়সহ পুরো কমিটিকে সঙ্গে নিয়ে একটি গতিশীল, জবাবদিহিমূলক ও কর্মমুখী সংগঠন গড়ে তুলতে আমরা কাজ করব। কিশোরগঞ্জে নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,প্রতিভা অন্বেষণ,প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং সামাজিক সচেতনতামূলক বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে জিসাসকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব,শুভানুধ্যায়ী,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তারা বিশ্বাস করেন,সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কিশোরগঞ্জে জিসাসের সাংগঠনিক কার্যক্রম নতুন গতি পাবে এবং জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হবে।
জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) কিশোরগঞ্জ । তাদের সফল নেতৃত্বে কিশোরগঞ্জে সাংস্কৃতিক আন্দোলন আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল হবে এমন প্রত্যাশা সকলের।