• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
Headline
টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন  ৫৫ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১০ জন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাঁঠালিয়ায় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি

১৭ বছর ভিন্নমতের ডাক্তারদের বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল : রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৭ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র, সে ছাত্রজীবনে হয়তো ছাত্রদল করেছে বা তৎকালীন সরকারি দল করত না, অন্য কোনো দল করত— এই কারণে তার প্রমোশন হয়নি। বা হয়তো প্রথমে চাকরিই হয়নি, পরবর্তীতে চাকরি পেলেও প্রমোশন হয়নি। সবদিক থেকে সে বঞ্চিত হয়েছে এবং দিনের পর দিন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাকে ফেলে রাখা হয়েছে। এটাই গত ১৭ বছর ধরে হয়েছে।
শনিবার বিকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি’ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, কেউ যদি ভালো ডাক্তার হন, উনি যদি রোগীদের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ হন, তাহলে আপনি তাকে বাদ দেবেন কেন? তার যোগ্যতাকে কেন অবমূল্যায়ন করবেন? এই অজ্ঞতার কারণে দেশে কোনো ব্রেন গেইন হচ্ছে না, বরং আপনারা মেধার অপচয় করলেন এবং দেশের সর্বনাশ করলেন।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেখেছি, বাপের বা পরিবারের কেউ হয়তো অন্য দল করে—এই কারণে কারও কোনো প্রমোশন হয়নি। এখানে আমাদের যারা আছেন, যেমন ডা. রফিক, ডা. লোহানী, ডা. জাহাঙ্গীর, ডা. শাকিলসহ যাদেরকে আমি চিনি, তাদের অনেকেরই পাবলিকেশন আছে। প্রমোশন পাওয়ার জন্য যে সাপোর্ট ও কোয়ালিটি দরকার, কোয়ালিফাই করার জন্য যা যা প্রয়োজন, সবকিছুই তাদের আছে। কিন্তু তাদের প্রমোশন দেওয়া হয়নি, তাঁরা মেডিকেল অফিসার হিসেবেই থেকে গেছেন।
‘যদি ৫ই আগস্টের পরিবর্তন না হতো, তাহলে এরা কেউ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর বা প্রফেসর হতে পারতেন না, তাদের সেই পরিচয়টাই আসত না। তাহলে তাদের মতো ভালো ডাক্তাররা প্রফেসর বা অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হওয়ার জন্য যে পড়াশোনা ও রিসার্চ করেছেন, তার তো কোনো মূল্য থাকল না। এইভাবে বিভিন্ন সেক্টরের মতো এই সেক্টরটাকেও—যা সরাসরি মানুষকে নিয়ে কাজ করে, মানুষের বাঁচা-মরা নিয়ে কাজ করে—নষ্ট করা হয়েছে।’
রিজভী বলেন, নেতৃত্বে যদি সামগ্রিক বাংলাদেশ না থাকে, তার হৃদয়ের মধ্যে যদি গোটা বাংলাদেশ না থাকে, সে কিসের নেতা? ১৭ বছর ধরে আমরা সেটাই দেখেছি। দেশের মধ্যে দেশ, ঘরের মধ্যে ঘর—এটাই তৈরি করা হয়েছে। আর এটা করতে গিয়ে আমরা অনেক মেধাবী মানুষকে হারিয়েছি। কেউ হয়তো দেশের বাইরে চলে গেছেন, সেখানেই স্থায়ী হয়ে গেছেন আর ফিরে আসেননি। কেউ হয়তো আজীবনের জন্য বঞ্চিত হয়েছেন, যার ফলে নিজের বিকাশ ঘটিয়ে জাতিকে যে সার্ভ করবেন, সেই জায়গাটা হারিয়ে গেছে।
আশাবাদ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অত্যন্ত আশাবাদী হয়ে উঠেছি। সেই পরিস্থিতি আর নেই, সেই জায়গা থেকে অনেক উত্তরণ ঘটেছে। এখন যে সরকারটি দায়িত্বে আছে, তারা মেডিকেল সেক্টরে ও শিক্ষা সেক্টরে অনেক বরাদ্দ বাড়িয়েছে; গত বছরের চেয়েও বাজেট বরাদ্দ বেশি করা হয়েছে। অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, দুরারোগ্য ব্যাধি—যেমন ক্যান্সার, কিডনি, থ্যালাসেমিয়া এবং হার্টের ডিজিজের চিকিৎসার ক্ষেত্রে যেখানে আগে ২ লাখ বা ২ লাখ ২০ হাজার টাকা লাগত, সেখানে খরচের বোঝা কমাতে সুপারিশ করা হয়েছে এবং তা প্রত্যাহার/হ্রাস করে এখন হয়তো ১ লাখ, ১ লাখ ২০ হাজার বা ৯০ হাজার টাকার মধ্যে নিয়ে আসা হচ্ছে। এই সুবিধাটা এখন আমরা পাব। এটাই হচ্ছে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category