• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে জেলা পরিষদ, প্রয়োজনে ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও সহযোগিতা করা হবে: অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি / ৭১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

শিক্ষার মানোন্নয়ন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান এবং আগামী প্রজন্মকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উদ্যোগে “জেলা পরিষদ মেধাবৃত্তি-২০২৬” প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৩টায় ঝালকাঠি জেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান শাহরিয়ার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইলিয়াস বেপারী, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু ছাহিদ এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহিনুল ইসলাম মৃধুধার।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কৃতী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মেধাবৃত্তির অর্থ ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “আমরা চাই আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশের হাল ধরুক। কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন টাকার অভাবে পড়াশোনা কিংবা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত না হয়। জেলা পরিষদের বরাদ্দ না থাকলেও যদি কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী আর্থিক সংকটে পড়ে, তাহলে আমি আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।”
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আরও বলেন, “টিকটক, ফেসবুক ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় সময় ব্যয় না করে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। প্রযুক্তিকে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। শুধু মেধাবী হলেই হবে না, একজন ভদ্র, বিনয়ী, সৎ ও মানবিক মানুষ হিসেবেও নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। কারণ ভালো মানুষই দেশ ও সমাজের প্রকৃত সম্পদ।”


তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়নের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন, নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। শিক্ষাই একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জেলা পরিষদের এ ধরনের উদ্যোগ মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা যোগাবে। শিক্ষা খাতে বিনিয়োগই দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান ভিত্তি বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্বাচিত পাঁচজন মেধাবী শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দিয়ে ভবিষ্যৎ জীবনে সাফল্য অর্জনের জন্য শুভকামনা জানান।
অনুষ্ঠিানে উপস্থিত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিরা জেলা পরিষদের এ শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category