• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

ব্যাংককে ভয়াবহ আগুনে নিহত ২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৩১ Time View
Update : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের লাটফ্রাও এলাকায় এক খাবারের দোকান ও বারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় ১৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। চাতুচাক মার্কেট এবং ইউনিয়ন মলের কাছাকাছি এই এলাকাটি।

রোববার (১২ জুলাই) রাত স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। রং বিয়ার না লাট ফ্রাওয়ের এই আগুন নেভাতে ৩৫ মিনিট সময় লাগে ফায়ার সার্ভিসের।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হঠাৎ করেই যেন বিস্ফোরণ ঘটে এবং ওই রেস্টুরেন্টে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ দিকবিদিক হয়ে ছুটে বেড়াচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দেখা যায়, ভেতরে কিছু মানুষ আটকে পড়েছে এবং আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানানো হয়েছে, রেস্টুরেন্টের ভেতর খুব সরু ছিল চিমনি। এ কারণেও হতাহতের সংখ্যা বেড়ে থাকতে পারে। তদন্ত চলছে।

স্থানীয় সময় রাত ১টা ৪২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী এবং ইন্টেরিয়র মিনিস্টার আনুথিন চার্নভিরাকুল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ২৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

নিহত ২৭ জনের মধ্যে ৯ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী।

অগ্নিকাণ্ডের সময় উপস্থিত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, প্রথমে মেইন সুইচ বোর্ডে আগুন লাগে এবং এরপর সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে। বিকট বিস্ফোরণ হয় এবং বাঁচতে সবাই ছোটাছুটি শুরু করে।’

উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় অনেকেই বাইরে বের হতে পারেননি। তারা ভবনের পেছনে চলে গিয়েছিলেন এবং ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে টয়লেটের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আমরা বেশির ভাগ মরদেহ সেখানেই পেয়েছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category