মার্কিন প্রশাসন অনেকদিন ধরেই ইরান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারে, এমন গোয়েন্দা তথ্য পাচ্ছিল।
বুধবার ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের এক আয়োজনে বক্তব্য দেওয়ার সময়ও ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তাদের (ইরান) নেতারা চলে গেছে। তারপর তাদের আরেক দল নেতা এসেছে। তারাও চলে গেছে। এখন তাদের আরেক দল নেতা রয়েছে। কে জানে, তাদেরও হয়তো চলে যেতে হতে পারে।’ ট্রাম্প আরো যোগ করেন, ’এবং আপনারা কি জানেন? আমিও চলে যেতে পারি। কারণ আমি তাদের এক নাম্বার লক্ষ্যবস্তু। এটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি আজ সকালে একটি বিষয় দেখেছি যে, আমি তাদের প্রতিটি তালিকায় আছি। আর এখন পর্যন্ত, আমি মনে করি আমি কিছুটা ভাগ্যবান ছিলাম। তবে এটি হয়তো খুব বেশি দিন স্থায়ী নাও হতে পারে।’
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যা করা হতে পারে, এমন আলোচনায় তার নিরাপত্তায় বাড়তি সতর্কতা অবকলম্বন করা হচ্ছে। ন্যাটো সম্মেলন শেষে ফেরার পথে হুট করেই ট্রাম্পের বিমান পরিবর্তন করা হয়। এারফোর্স ওয়ানের বহরে যুক্ত হওয়া নতুন রাজকীয় বিমানের পরিবর্তে তিনি এয়ারফোর্স ওয়ানের পু্রোনো বিমানেই ওয়াশিংটন ফিরেছেন। হোয়াইট হাউস পরবর্তীতে স্বীকার করেছে যে, প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার স্বার্থে এটি একটি কৌশল ছিল।
মার্কিন প্রশাসন দাবি করছে, ২০২০ সালে ইরানের সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার পর থেকেই ট্রাম্প তাদের হিটলিস্টে এক নাম্বারে আছেন। যদিও ইরান কখনোই এমন কোনো দাবি করেনি। তবে গত সপ্তাহে ইরানের প্রয়াত ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর জানাযায় ইরানের ক্ষুব্ধ জনগণ ট্রাম্পের মৃত্যু কামনা করে স্লোগান দেয়।