এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ২০২৪ সালের বন্যার পর থেকে শামুকের মতো দেখতে লম্বা আকৃতির অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণ চোখে পড়ে তাদের। বিষাক্ত লালা গায়ে লাগলে চুলকানি ও ক্ষত রোগ সৃষ্টি হয়। এদের যন্ত্রনায় রাতে চলাফেরা করতে ভয়ভীতি লাগে সবার। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের নিয়ে চিন্তিত এখন সবাই। বিকেল থেকে রাতে ঘর থেকে বের হয় না শিশুরা।
স্থানীয়রা বলছেন, কেউ কেউ বলছেন, বাড়ির আঙ্গিনায় সবজি চাষ করে তা টিকিয়ে রাখা এখন দায়। রাতের বেলা এসব প্রাণী পাতা-লতা খেয়ে ফেলছে। এতে করে চরম অস্বস্তিকর ও বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে তাদের।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা হাসান ইমাম জানান, এটি এক ধরণের শামুক, যা কৃষকের জন্য ক্ষতিকর। এটি গাছের কচি পাতা-লতা খেয়ে ফেলে। এর থেকে পরিত্রাণে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার ও প্রাকৃতিকভাবে মোকাবিলা করার পরামর্শ দেন এ কর্মকর্তা। এছাড়া ডিমের খোসা ও কাঠের গুড়ো বাড়ির আঙ্গিনায় ছিটিয়ে রাখার পরামর্শও দেন তিনি।







