তবে বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী, নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অন্য কোনও প্রার্থীও অংশ নিতে পারেন। বিশেষ করে দলের মধ্যপন্থী বা কেন্দ্র-ডানপন্থী অংশের কেউ নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উদ্যোগ নেবেন কি না, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয়।
তবুও রাজনৈতিক মহলের অধিকাংশেরই ধারণা, অ্যান্ডি বার্নহ্যামই লেবার পার্টির পরবর্তী নেতা হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাব্য ব্যক্তি। অনেক পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে তাকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দেখছেন।
কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, তিনি লেবার পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটির (এনইসি) কাছে প্রস্তাব করবেন যাতে ৯ জুলাই থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। তিনি আরও বলেন, সংসদের গ্রীষ্মকালীন অবকাশ শুরু হওয়ার আগেই, অর্থাৎ ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।
যদি নেতৃত্ব নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী অংশ নেন, তাহলে প্রতিযোগিতামূলক ভোটাভুটির মাধ্যমে নতুন নেতা নির্বাচন করা হবে। সেক্ষেত্রে আগামী ১ সেপ্টেম্বর সংসদ অধিবেশন পুনরায় শুরু হওয়ার আগেই নতুন নেতা দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, যদি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ৯ জুলাই মনোনয়ন পর্বে একক প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হন এবং তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করেন, তাহলে মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই তিনি লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হতে পারেন।
তবে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন। সূত্র: বিবিসি







