• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

উৎপাদনমুখী অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে সরকার : অর্থ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। ছবি : সংগৃহীত
অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে করের হার বাড়ানোর পরিবর্তে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শিল্পায়ন সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিধি বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে সরকার। অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী ও সংকটসহনশীল করে তুলতে উৎপাদনমুখী প্রবৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান র‍্যাপিড আয়োজিত বাজেট-পরবর্তী এক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উৎপাদনশীল খাতকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। শিল্পায়ন সম্প্রসারিত হলে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং অর্থনীতির ভেতর থেকেই রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, করের বোঝা বাড়িয়ে নয়, বরং উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের বিস্তার ঘটিয়ে রাষ্ট্রের আয় বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে। ভবিষ্যতের বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উৎপাদননির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারের পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও পুনর্গঠনের উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।

তার মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা ছাড়া প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে না। অর্থনৈতিক ভারসাম্য নিশ্চিত না করে প্রবৃদ্ধিকে বেশি গুরুত্ব দিলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।

ড. রাজ্জাক আরও বলেন, বাংলাদেশকে বৃহৎ অর্থনীতির কাতারে নিতে হলে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হবে। তবে শুধু প্রবৃদ্ধির হার নয়, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মুদ্রার মান রক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

রাজস্ব আহরণ ও সরকারি ঋণ পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে সুদ পরিশোধে সরকারের ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category