• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক / ৭৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

 প্রতীকী ছবি

সব পিতাই তার সন্তানকে সফল দেখতে চান, সন্তানের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে প্রাণান্তকর চেষ্টা করেন। কিন্তু সম্পদের লোভ অনেক সময় মানুষকে পশুতে বদলে দেয়। এমনই এক সন্তানের লোভের বলি হয়েছেন ৮২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ। ঘটনাটি ভারতের মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের।
৮২ বছর বয়সী জাফর কমরুদ্দিন সৈয়দ প্যাটেল কাজ করতেন পানিসম্পদ বিভাগে। ভেবেছিলেন অবসর জীবনটা সন্তানের সাথে আয়েশেই কাটাবেন। কিন্তু তার ছেলেই তার অবসর জীবনকে নরক বানিয়ে তোলে। লোভী এবং উগ্র মেজাজের আব্দুল রেহমান আব্দুল জাফর পরিবারের সদস্যদের সাথে দুর্ব্যবহার করতেন, এমনকি গায়েও হাত তুলতেন। অতিষ্ঠ হয়ে সৈয়দ প্যাটেল পুনেতে তার মেয়ের বাসায় চলে যান। তবে সেখানে গিয়ে তিনি চুপচাপ বসে থাকেননি। নিজের পরিশ্রমে গড়া বাড়ি থেকে ছেলেকে উচ্ছেদ করতে মামলা ঠুকে দেন আদালতে।

দুইবছরের আইনী লড়াই শেষে ছেলের বিরুদ্ধে জয় পান বাবা। উচ্ছেদের রায় নিয়ে ফিরছিলেন বাড়ি। হয়তো ভেবেছিলেন বাকি জীবনটা নিজের হাতে গড়া বাড়িতেই কাটাবেন। মেয়েকে নিয়ে অটেরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন সৈয়দ প্যাটেল। কিন্তু তার ছেলের মনে ছিল অন্য ভাবনা। আদালতের পরাজয়টা মেনে নিতে পারেননি মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কাজ করা আব্দুল জাফর। রাস্তার মাঝখানে অটেরিকশা থামিয়ে বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন তিনি। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ভাইয়ের আঘাতে আহত হন বোনও। বেচারা সৈয়দ প্যাটেলের আর বাড়ি ফেরা হলো না। পুলিশ আব্দুল জাফরকে গ্রেপ্তার করেছে।

সৈয়দ প্যাটেল হয়তো সন্তানের কথা ভেবেই সম্পদ গড়েছিলেন। সম্পদ গড়তে গিয়ে সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দেয়া, মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তোলার সময় হয়তো পাননি। সৈয়দ প্যাটেল সম্পদে বিনিয়োগ না করে যদি সন্তানের পেছনে বিনিয়োগ করতেন তাহলে হয়তো নিজেকে এভাবে বেঘোরে প্রাণ দিতে হতো না, ছেলেকে জেলে যেতে হতো না, মেয়েকে আহত হতে হতো না; পুরো পরিবারটি এভাবে ধ্বংস হতো না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category