• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ফুটবলারদের পায়ে এবার গোলাপি বুট কেন?

ক্রীড়া প্রতিবেদক বর্তমান বাংলাদেশ / ১১০ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

একটা সময় ছিল যখন ফুটবলের বুট বলতেই চোখের সামনে ভেসে উঠত শুধু একটাই রং, কেবল কালো। তবে গত ২৫ বছরে সেই চেনা দৃশ্যে এসেছে আমূল পরিবর্তন। বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ডগুলো ভিড়ের মাঝে নিজেদের আলাদা করে চেনাতে রংধনুর সব রং নিয়ে হাজির হয়েছে ফুটবলের আঙিনায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে ফুটবলপ্রেমীদের চমকে দিয়েছে গোলাপি রং। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম দুই দলের খেলোয়াড়দের পায়েই এমন উজ্জ্বল গোলাপি রঙের বুট দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বকাপে ফুটবলারদের বুট সরবরাহে শীর্ষস্থানে রয়েছে নাইকি, অ্যাডিডাস এবং পুমার মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো। অবাক করার মতো বিষয় হলো, তীব্র প্রতিযোগিতার বাজারেও এবার শীর্ষ এই তিন ব্র্যান্ড বিশ্বকাপের জন্য একই ধাঁচের এবং একই রঙের বুট তৈরি করেছে। আর সে কারণেই মাঠজুড়ে ফুটবলারদের পায়ে এখন গোলাপি বুটের রাজত্ব।

হঠাৎ এত রং থাকতে গোলাপি কেন, এই প্রশ্ন এখন অনেকের মনেই। অতীতে এই ব্র্যান্ডগুলো কিছুটা অনুজ্জ্বল কালো এবং সাদা ডিজাইনে বেশি মনোযোগ দিলেও, সময়ের সাথে সাথে চমৎকার সব রঙের মাধ্যমে ভিড়ের মধ্যে নিজেদের ফুটিয়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করে তারা। আর বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ডে জায়গা করে নিয়েছে গোলাপি রং।

২০২৪ সালে ভোক্তা ট্রেন্ড পূর্বাভাসকারী প্রতিষ্ঠান ডব্লিউজিএসএন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল যে, ২০২৬ সালে ‘ইলেকট্রিক ফুশিয়া’ অর্থাৎ গোলাপি ও বেগুনি রঙের মিশ্রণে তৈরি অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং চোখধাঁধানো একটি রং বাজারে আধিপত্য বিস্তার করবে। সাধারণত ফুটবল আর ফ্যাশন একে অন্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকায়, প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন বুটের ডিজাইন শুরুর অন্তত দুই বছর আগেই এই ধরনের পূর্বাভাসকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরামর্শ করে নেয়। ফলে পণ্যটি যখন শেষ পর্যন্ত বাজারে বা মাঠে আসে, তখন তা ট্রেন্ডের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।

তবে এই গোলাপি রং বেছে নেওয়ার পেছনে শুধু ফ্যাশন নয়, রয়েছে একটি সহজ মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত কারণও। মাঠের সবুজ ঘাসের সঙ্গে গোলাপি রঙের বৈপরীত্য বা কনট্রাস্ট চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে। এর ফলে দর্শক টেলিভিশনে খেলা দেখুক, স্টেডিয়ামে বসে দেখুক কিংবা ফোনের স্ক্রিনে স্ক্রল করুক; সব জায়গাতেই এই রংটি দারুণভাবে নজর কাড়ে। এমনকি স্লো-মোশন ক্লিপ বা স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের নিচেও গোলাপি বুট পরা ফুটবলারদের পায়ের কাজ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। সব মিলিয়ে বাণিজ্যিক প্রচার আর মাঠের উপযোগিতা—উভয় কারণেই এবারের বিশ্বকাপে ফুটবলারদের পায়ে শোভা পাচ্ছে গোলাপি বুট।

সূত্র: বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category