• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
Headline
সরকারি বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজন, জরিমানা ৮০ হাজার ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য  সরকার-বিএনপি গ্রহণ করেনি সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলা, বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা-টোকিও সম্পর্ক সুদৃঢ় করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এইচএসসির ফল প্রকাশ শনিবার, জানা যাবে যেভাবে সিপিবির কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ আজকের নামাজের সময়সূচি (২৮ অক্টোবর) স্থলভাগে প্রবেশ করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, উপকূলে তাণ্ডবের শঙ্কা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো

ফজরের নামাজের পর নবীজি (সা.) যেসব আমল করতেন

ইসলামের আলো ডেস্ক বর্তমান বাংলাদেশ / ৮৪ Time View
Update : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

ছবি : সংগৃহীত
ফজরের নামাজের পরের সময়টি ইবাদত ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবীজি (সা.) এ সময় বিভিন্ন আমল, দোয়া ও কোরআন তেলাওয়াতে মশগুল থাকতেন।
হাদিসে এসেছে, ফজরের নামাজ আদায়ের পর সূর্য ভালোভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত নবীজি (সা.) নামাজের স্থানে বসে আল্লাহর জিকির করতেন (মুসলিম, হাদিস : ৬৭০)।
অন্য এক হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকির করবে এবং পরে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে, সে পূর্ণ হজ ও উমরার সওয়াব লাভ করবে (তিরমিজি, হাদিস : ৫৮৬)।
নামাজ শেষে তিনি তিনবার ইস্তেগফার পাঠ করতেন এবং ‘আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম…’ দোয়াটি পড়তেন (মুসলিম, হাদিস : ৫৯১)।
এছাড়া প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যুই হবে একমাত্র বাধা (তাবারানি কাবির : ৭৪০৮)।
নবীজি (সা.) ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’, ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং ৩৩ বার ‘আল্লাহু আকবার’ পাঠ করতেন। এরপর ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ…’ পাঠ করলে গুনাহ মাফ করে দেওয়ার সুসংবাদ রয়েছে (মুসলিম, হাদিস : ৮৯৭)।
এ ছাড়া সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন, যা মানুষকে বিভিন্ন অনিষ্ট থেকে রক্ষা করে (তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৭৫)।
পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টি, জাহান্নাম থেকে মুক্তি, উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক ও কবুলযোগ্য আমলের জন্য দোয়া করতেন (তিরমিজি, হাদিম : ৩৩৮৯)।
ফজরের পর কোরআন তেলাওয়াতও ছিল নবীজি (সা) এর গুরুত্বপূর্ণ আমলের অংশ। তিনি সুন্দরভাবে ও অর্থ বুঝে কোরআন পাঠের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন (বুখারি, হদিস : ৭০৮৯)।
তাই একজন মুমিনের উচিত ফজরের পরের সময়টুকু জিকির, দোয়া ও কোরআন তেলাওয়াতে কাজে লাগানো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category