• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ফজরের নামাজের পর নবীজি (সা.) যেসব আমল করতেন

ইসলামের আলো ডেস্ক বর্তমান বাংলাদেশ / ৮৭ Time View
Update : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

ছবি : সংগৃহীত
ফজরের নামাজের পরের সময়টি ইবাদত ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবীজি (সা.) এ সময় বিভিন্ন আমল, দোয়া ও কোরআন তেলাওয়াতে মশগুল থাকতেন।
হাদিসে এসেছে, ফজরের নামাজ আদায়ের পর সূর্য ভালোভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত নবীজি (সা.) নামাজের স্থানে বসে আল্লাহর জিকির করতেন (মুসলিম, হাদিস : ৬৭০)।
অন্য এক হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকির করবে এবং পরে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে, সে পূর্ণ হজ ও উমরার সওয়াব লাভ করবে (তিরমিজি, হাদিস : ৫৮৬)।
নামাজ শেষে তিনি তিনবার ইস্তেগফার পাঠ করতেন এবং ‘আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম…’ দোয়াটি পড়তেন (মুসলিম, হাদিস : ৫৯১)।
এছাড়া প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যুই হবে একমাত্র বাধা (তাবারানি কাবির : ৭৪০৮)।
নবীজি (সা.) ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’, ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং ৩৩ বার ‘আল্লাহু আকবার’ পাঠ করতেন। এরপর ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ…’ পাঠ করলে গুনাহ মাফ করে দেওয়ার সুসংবাদ রয়েছে (মুসলিম, হাদিস : ৮৯৭)।
এ ছাড়া সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন, যা মানুষকে বিভিন্ন অনিষ্ট থেকে রক্ষা করে (তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৭৫)।
পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টি, জাহান্নাম থেকে মুক্তি, উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক ও কবুলযোগ্য আমলের জন্য দোয়া করতেন (তিরমিজি, হাদিম : ৩৩৮৯)।
ফজরের পর কোরআন তেলাওয়াতও ছিল নবীজি (সা) এর গুরুত্বপূর্ণ আমলের অংশ। তিনি সুন্দরভাবে ও অর্থ বুঝে কোরআন পাঠের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন (বুখারি, হদিস : ৭০৮৯)।
তাই একজন মুমিনের উচিত ফজরের পরের সময়টুকু জিকির, দোয়া ও কোরআন তেলাওয়াতে কাজে লাগানো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category