মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ৮ নংজ মনসুরনগর ইউনিয়নে চেতনানাশক স্প্রে ছিটিয়ে এক রাতে ৩ বাড়িতে চুরি সংগঠিত হয়েছে। অসুস্থ অবস্থায় একি বাড়ির ৩ জন মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চোররা শনিবার ৬ জুন দিবাগত রাতে সরখরনগর গ্রামের (অব:) পোষ্ট অফিসের কর্মচারী সাজাবর মিয়ার বাড়ি, তার পাশ্ববর্তী প্রবাসী ছুরুক মিয়া ও পাশ্ববর্তী পঞ্চেশ্বর গ্রামের পরিমল দেবের বাড়ি গভীর রাতে প্রবেশ করে চুরি সংগঠিত করে। সাজাবর মিয়ার বাড়িতে পেছনের দরজা ভেংঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে চেতনা নাশক ঔষধ স্প্রে করে। ফলে ঘরের সকল অবচেতন হয়ে পড়লেকক নির্বিঘ্নে ২বড়ি স্বর্ণ অলংন্কার, নগদ ২ লাখ টাকা ও ২ টি স্মার্ট ফোন সহ কিছু মালামাল নিয়ে যায়। পার্শ্বের বাড়ির প্রবাসী ছুরুকক মিয়ার বাড়িতে কেউ না থাকায় নির্বিঘ্নে চুরি সংগঠিত করে। পরবর্তীতে পঞ্চেশ্বর গ্রামের পরিমল দেবের বাড়িতে চুরি করে। সরখরনগর দুরুদ মিয়ার ঘরের বারন্দা থেকে একটি বাইসাইকেল নিয়ে যায়। সাজাবর মিয়ার স্ত্রী সন্তান সহ ৩ জনকেজ মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এব্যাপারে ৮ নং মনসুর নগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো: ফজলুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে চুরি হওয়া বাড়ি গুলো দেখে এসেছি। থানায় অভিযোগ করতে সার্বিক সহযোগীতা করবো। এছাড়া আমরা চেষ্টা করব স্থানীয় ভাবে চোর সনাক্ত করতে।
৮ নং মনসুর নগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রকৃত চোর সনাক্ত করতে থানা পুলিশের সাথে আমরা সর্বাত্নক চেষ্টা করবো। ঘটনা গুলো উদ্দ্যেগ জনক।
রাজনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া একি রাতে চেতনা নাশক ঔষধ স্প্রে করে চুরি সংগঠিত হওয়ার বিষয় মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে দায়সারা ভাবে বলেন, আমার কাছে একজন আসছে। আমি তাকে বলেছি অভিযোগ দেওয়ার জন্য। আমি পুলিশ পাঠাবো। আর কেহ আসেনি, তাই বলতে পারবোনা। রাজনগর থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির বিষয় জানতে চাইলে বলেন, আমি কি করবো। সারা রাত তো রাস্তায় থাকি।
সচেতন মহল মনে করেন রাজনগরে যে ভাবে চুরি, গরু চুরি, খুন, ছিনতাই বেড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে, মনে হচ্ছে এ থানায় কোন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নেই।