• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
Headline
তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

২,৪০০ কোটি ডলার ছাড় না দিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নয়

বর্তমান বাংলাদেশ প্রতিবেদক / ৯২ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

সিএনএনকে সাক্ষাৎকারে ইরানি নেতার উপদেষ্টা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা আলী খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজাই। ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য কোনো শান্তিচুক্তি নির্ভর করছে জব্দ করা ইরানের ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের সম্পদ ছেড়ে দিতে ট্রাম্প প্রশাসন রাজি হয় কি না, তার ওপর।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা আলী খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজাই শুক্রবার (৫ জুন) সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আবার যুদ্ধ শুরু করলে তারা ‘একটি অন্ধকার গলিতে প্রবেশ করবে’।

মহসেন রেজাই বলেন, ‘আলোচনায় অচলাবস্থা চলছে। এ অচলাবস্থা ট্রাম্পকেই ভাঙতে হবে। বল এখন ট্রাম্পের কোর্টে।’

তেহরানে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে রেজাই জানান, অন্তর্বর্তী কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে অবরুদ্ধ তহবিলের ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড় চায় তেহরান। পরবর্তী ধাপে অবশিষ্ট জব্দ অর্থ ছাড়ের কথা বলেছে তেহরান।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, আগেভাগে অর্থ ছাড় করলে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হারিয়ে যাবে।

অন্যদিকে ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, নতুন কোনো চুক্তি হলে তা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির চেয়ে অনেক বেশি কঠোর ও কার্যকর হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি এমন কোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে চলতে চান, যা ইরানের কাছে বিপুল অর্থ হস্তান্তরের মতো দেখায়।

রেজাই বলেন, জব্দ অর্থ মুক্ত করা হলে দুই দেশের মধ্যে আস্থা তৈরির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। তার ভাষায়, এটি এমন একটি পরীক্ষা যেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তীর্ণ হতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের নিজেদের অর্থ, যুক্তরাষ্ট্রের নয়।’

নতুন সংঘাতের হুঁশিয়ারি

রেজাই দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে ইরান সংঘাতকে পারস্য উপসাগরের বাইরেও ছড়িয়ে দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি, ভারত মহাসাগর, বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত সামরিক অভিযান বিস্তৃত হতে পারে।

তিনি বলেন, এর আগে যেসব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে, সেগুলোর বাইরে আরও বিভিন্ন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। তবে তার মতে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত কম।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে অবস্থান

হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্ব শুধু ইরান ও ওমানের বলে দাবি করেন রেজাই। তিনি বলেন, যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এ পথ দিয়ে পরিবহন হতো।

জাহাজ চলাচলের জন্য সম্ভাব্য ফি আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি কোনো ‘টোল’ নয়; বরং প্রণালির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের অংশ।

ট্রাম্প–মোজতবা বৈঠকের সম্ভাবনা নেই

মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য ও দেশের নীতি-নির্ধারণে তার বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রেজাই কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে মোজতবার সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টি তিনি সরাসরি নাকচ করে দেন।

রেজাই বলেন, ‘এমন কিছু ঘটবে না। আমরা এখনো আলোচনার প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। ট্রাম্পই আলোচনাকে অচলাবস্থার মধ্যে নিয়ে গেছেন।’

সম্প্রতি ট্রাম্প বলেছিলেন, খামেনির সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে বলে মনে হয় এবং তার সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ হলে তিনি তা সম্মানের বলে মনে করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category