• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

সংরক্ষিত নারী আসনে সরকারি বরাদ্দ নিয়ে অসন্তোষ মাহমুদা মিতুর

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক / ১১৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

ডা. মাহমুদা মিতু। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের সরকারি বরাদ্দ বণ্টনে চরম রাজনৈতিক বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু।

৫০ জন সংরক্ষিত নারী এমপির মধ্যে ৩৭ জনকে বরাদ্দ দেওয়া হলেও, স্রেফ রাজনৈতিক ভিন্নতার কারণে বাকি ১৩ জনকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করা হয়েছে বলে তার অভিযোগ। বিএনপি সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে ‘সংকীর্ণ মানসিকতা’ এবং পুরোনো স্বৈরাচারী ও কর্তৃত্ববাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই পুনরাবৃত্তি বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়া ডা. মাহমুদা মিতু বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) এবং ‘জাতীয় নারী শক্তি’র সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পেশায় চিকিৎসক এই রাজনীতিবিদ বুধবার (৩ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্টে এমন অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

ডা. মিতু তার লেখায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রশ্ন তোলেন, ‘কতটা সংকীর্ণ মানসিকতা হলে এমন বিভাজন বজায় রাখা যায়?’ তিনি মনে করিয়ে দেন যে, বৈষম্যহীন যে জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আজকের এই সংসদ গঠিত হয়েছে, বঞ্চনার শিকার নারীদের মধ্যে সেই আন্দোলনের অগ্রভাগের নারীরাও রয়েছেন। এমনকি বঞ্চনার এই তালিকায় আছেন একজন বীর শহীদের মা-ও, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং দুর্ভাগ্যজনক।

সংসদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নারী এমপিদের মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এনসিপি নেত্রী বলেন, এখানে সব দলের নারীরা আছেন। আমরা একসাথে চলি। একসাথে নিয়ম গড়া, নিয়ম ভাঙা, দ্বিমত আর ভিন্নমতের কথা বলি। মতপার্থক্য আছে, তবুও সম্প্রীতি আছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি সুস্থ গণতন্ত্রে মতের পার্থক্য থাকা অত্যন্ত স্বাভাবিক ও সুস্থ লক্ষণ। কিন্তু সেই আদর্শিক বা রাজনৈতিক পার্থক্যকে কখনোই পারস্পরিক শত্রুতা বা সম্পর্কের দেওয়ালে রূপ দেওয়া উচিত নয়।

সবশেষে সরকারের  সমালোচনা করে ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনাকারী সরকার নিজেই যদি এত সংকীর্ণতার পরিচয় দেয়, তবে তা দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করবে। সরকার নিজেই যেখানে বৈষম্য তৈরি করছে, সেখানে সমাজে সহনশীলতা, সবার অন্তর্ভুক্তি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার প্রত্যাশা করা অবান্তর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category