• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

৩০ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ, বিএটি’র বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক / ৩৬ Time View
Update : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

বহুজাতিক তামাক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি)-এর বিরুদ্ধে গত ৫৫ বছরে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা জালিয়াতি ও পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও অর্থপাচারের রহস্য উদ্ঘাটনে দুদকের অনুসন্ধান টিম ইতোমধ্যে বিভিন্ন দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

শনিবার (২৩ মে) দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অভিযোগটি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনের জন্য জয়েন্ট স্টক কোম্পানিসহ বিভিন্ন দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। নথিপত্র পর্যালোচনার পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকে জমা হওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর করাচিভিত্তিক ‘পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি’ (পিটিসি) কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় তাদের দুটি বড় কারখানা স্থাপন করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, স্বাধীনতার পর আইন অনুযায়ী এসব সম্পদের মালিক হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের। একই সময়ে পিটিসি করাচি থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্ষতিপূরণ আদায় করে নেয়।

তবে অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পিটিসির ফাইন্যান্স ম্যানেজার এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের দায়িত্বে থাকা জামালুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট রাজনৈতিক প্রভাব ও জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বহুজাতিক কোম্পানি বিএটির দখলে যেতে সহায়তা করে।

এই জালিয়াতির কারণে গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশ ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিএটি বাংলাদেশের একজন মুখপাত্র বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটি ১১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ করদাতা হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।

যথাযথ প্রক্রিয়ায় যোগাযোগ করা হলে বিএটি বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী পূর্ণ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category