তিনি আরও বলেন, সহিংসতা তখনই ছড়ায় যখন সমাজ নীরব থাকে। তাই সহিংসতা, নির্যাতন বা শোষণের ঘটনা ঘটলে তা চেপে না রেখে তাৎক্ষণিকভাবে শিশু হেল্পলাইন ১০৯৮-সহ অন্যান্য সুরক্ষা সেবার মাধ্যমে রিপোর্ট করার জন্য ইউনিসেফ আহ্বান জানাচ্ছে।
ইউনিসেফ প্রতিনিধি নারী ও শিশুদের জন্য মানসিক ও সামাজিক সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি স্কুল, মাদ্রাসা, কর্মক্ষেত্র, পাড়া-মহল্লা এবং কেয়ার সেন্টারগুলোর জবাবদিহিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষার প্রতি বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফ জানায় যে, ভুক্তভোগীদের ছবি, ভিডিও বা পরিচয় প্রকাশ করা এক ধরণের পুনর্নির্যাতন। যারা এগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার বা রি-শেয়ার করছেন, তারা মূলত ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের মানসিক ট্রমা এবং কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
তাই সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের প্রতি ভুক্তভোগীদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানানোর এবং এই ধরণের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। রানা ফ্লাওয়ার্স পরিশেষে বলেন, প্রতিটি শিশুর সমাজ, বিদ্যালয়, ঘর—এমনকি পাবলিক স্পেসে তাদের গল্প বা ছবি উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও সুরক্ষিত থাকার অধিকার রয়েছে। অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান তিনি।







