• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করায় দুই পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা-মারধর, ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি বর্তমান বাংলাদেশ / ১৫৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

নওগাঁর রাণীনগরে বিশেষ অভিযানের সময় যুবকের নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করায় থানা পুলিশের এক এসআই এবং এক এএসআইকে লাঞ্চনা ও মারধর করার অভিযোগে উঠেছে। রাতের বেলা নির্ঝণ স্থানে অবস্থানের জন্য পরিচয় জানতে চাওয়াকে কেন্দ্র করে লাঞ্চনাসহ মারধরের শিকার হন তারা দুইজন।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার বিজয়কান্দি বড়বড়িয়া রেলেগেট এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। লাঞ্চনা ও মারধরের শিকার হওয়া দুই পুলিশ সদস্য হলেন- এসআই রতম কুমার সরকার ও এএসআই ওবাইদুর রহমান। তারা দুইজন রাণীনগর থানায় কর্মরত আছেন।

এ ঘটনায় এসআই রতন কুমার সরকার বাদী হয়ে বিজয়কান্দি বড়বড়িয়া গ্রামের কেয়ারব সোনারের ছেলে মো. আশিক (২৩) ও আশিকের মা মোছা. চায়না বেগম (৫০) এবং একই এলাকার মুকুল হোসেনের ছেলে মো. নয়ন (৩৫) কে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি রাণীনগর উপজেলায় চুরি-ছিনতাই ও মাদকের বিস্তার বেড়েছে। এই সব চুরি, ছিনতাই ও মাদক রোধে উপজেলা জুড়ে থানা পুলিশের টহল জোরদার ও বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার বিজয়কান্দি বড়বড়িয়া রেলেগেট এলাকায় অভিযানে যান রাণীনগর থানার এসআই রতন কুমার সরকার ও এএসআই ওবাইদুর রহমান। সেখানে নির্ঝণ স্থানে দুই যুবক অবস্থান করায় তাদের পরিচয় জানতে চাওয়া হয়। এরপর আশিক নামে এক যুবককে সন্দেহ হলে পুলিশ তাকে নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করে। এতেই আশিক ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ি থেকে লোকজন ডেকে এনে ১২ থেকে ১৫ জন মিলে এসআই রতন ও এএসআই ওবাইদুরকে ধাক্কা, লাঞ্চনা ও মারধর করেন।

খবর পেয়ে থানা পুলিশের এসআই জুলফিকার ও এএসআই আব্দুল লতিফসহ সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশের টহল টিম যাওয়ার আগেই আশিকসহ ওই দুই যুবক পালিয়ে যায়।

এদিকে মামলার প্রধান আসামি আশিকের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় ও পলাতক থাকায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

লাঞ্চনা ও মারধরের শিকার হওয়া রাণীনগর থানার এসআই রতন কুমার সরকার বলেন, চুরি-ছিনতাই ও মাদক রোধে উপজেলা জুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা সিভিলে টহল দিচ্ছিলাম। আমাদের একটু দূরেই পুলিশের আরেকটি টিম ছিল। ঘটনাস্থলে গেলে রাতের বেলা তিন যুবককে দেখতে পাই। এরপর নাম জিজ্ঞেস করলে কোন জবাব না দিয়ে আশিক অসন্তোষজনক আচরণ শুরু করেন। একপর্যায়ে আশিক তার মাসহ লোকজনকে ফোন দিয়ে ডেকে নেয়। এরপর তারা এসে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। ঘটনাস্থলে আমাদের ধাক্কা দিয়ে লাঞ্চনাসহ কিল-ঘুষি মারে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেছি।

এ ব্যাপারে রাণীনগর থানার ওসি মো. জাকারিয়া মন্ডল বলেন, বিশেষ অভিযানের সময় দায়িত্বরত পুলিশ সদসকে ধাক্কা বা লাঞ্চনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ঘটনার পর তারা পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিরা যেখানেই থাকুক গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category