ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকার মশাখালী ইউনিয়নের দড়ি চারবাড়িয়া গ্রামের শাহাকান্দা ভিটা এলাকায় এক ব্যাক্তির মস্তকবিহীন শরীর গাছে বাঁধা পাওয়া গেছে। আর মরদেহের পাশেই মাটিতে পড়েছিল বিছিন্ন মাথা। তাঁর পরনে প্যান্ট ছিল, তবে গায়ে কোনো জামা ছিল না। বুকে কোপের চিহ্ন ছিল।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ৯টা নাগাদ আনুমানিক ৪৩ বছর বয়সী এক ব্যাক্তির মস্তকবিহীন দেহ গাছের সাথে বাঁধা অবস্থায় ও পাশেই মাটিতে পড়ে থাকা বিছিন্ন মাথা দেখে স্থানীয়রা খবর দেন পাগলা থানা পুলিশে। পরে পুলিশ এসে সকাল ১০টা নাগাদ খন্ডিত মাথা ও দেহ উদ্ধার করে।
পরে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কাজ শুরু করে।
পরে ফিঙ্গার পিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়। তাতে জানা যায়, হত্যাকান্ডের শিকার হওয়া ব্যাক্তির নাম মো. কাওছার আলম। সে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামের মো. জামেদ আলীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ধারণা করছেন, কোথাও থেকে ধরে এনে গাছের সঙ্গে বেঁধে ওই ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
পাগলা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, মধ্য বয়সী ওই ব্যাক্তির মস্তকবিহীন শরীর গাছে বেঁধে রাখা ছিল আর পাশেই মাটিতে পড়েছিল তার বিছিন্ন মাথা। ঘটনাস্থলে ক্রাইমসিন, সিআইডি, পিবিআই ও পুলিশ ফিঙ্গারপিন্ট নিয়ে লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে। কারা কি কারনে হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে তা নিয়ে কাজ করছে পুলিশ।