বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইকরামুল হক খান,
বিবৃতিতে বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, “ধর্ষণ মামলার সংখ্যা শতাধিক হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায় না এবং অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি থেকে রেহাই পেয়ে যাচ্ছে।” তিনি শিশু রামিসার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে বিচারহীনতার সংস্কৃতির ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি বাজপ চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন। সরকারের উচিত শুধুমাত্র রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্কে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তিনি বাজপ চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতির কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা গ্রেপ্তার হলেও দ্রুত জামিনে মুক্ত হয়ে যাচ্ছে।ইকরামুল হক খান, মন্তব্য করেছেন।
তিনি আরও বলেন, “দেশের মা-বোনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, কোমলমতি শিশুরা ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হচ্ছে। অথচ এসব প্রতিরোধে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।
তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “অভিযুক্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার পরও গ্রেপ্তার না হওয়া বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই প্রমাণ করে।” একইসঙ্গে অনলাইন হয়রানি, স্লাট-শেমিং, ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এবং সামাজিক নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বলেন, “রামিসা, তনু, আছিয়াসহ দেশের সকল ধর্ষিত ও নির্যাতিত নারীর পক্ষ থেকে আমরা বিচার চাই। আর কতবার আমাদের রাজপথে দাঁড়াতে হবে?” তিনি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বাজপ চেয়ারম্যান বলেন, “বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই দেশে ধারাবাহিকভাবে হত্যা, ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।” তিনি বলেন, “রাষ্ট্রকাঠামো ও বিচারব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়লে অনিয়ম অবিচার জনগণের নিয়তিতে পরিণত হয়। আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও মানবিক সমাজ রেখে যেতে চাই।”
বাজপ চেয়ারম্যান, বিবৃতিতে বলেন শিশু রামিসার ধর্ষণ ও হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।