• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
Headline
তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চীন-রাশিয়ার অগ্রাধিকারে ভিন্নতা এনেছে তেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১০৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

ভ্লাদিমির পুতিন ও শি জিনপিং। ছবি: স্পুটনিক এএফপি

ইরান যুদ্ধ

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধানো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কয়েকদিন আগেই আতিথেয়তা দিয়েছে চীন। এবার তারা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে স্বাগত জানাবে। মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্টের বেইজিং পৌঁছানোর কথা।

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে পুতিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক বেশ গাড় হলেও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তেল ঘিরে মস্কো ও বেইজিংয়ের ভিন্ন অগ্রাধিকার সামনে আসছে।

ট্রাম্প বেইজিং সফর শেষে ঘোষণা দেন, ঘাটতি মেটাতে চীন আমেরিকার তেল কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু তেলের জন্য বেইজিং ওয়াশিংটনের দিকে ঝুঁকলে তা মস্কোর জন্য উদ্বেগের বিষয় হবে। কারণ, ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে চীনের কাছে তেল বিক্রি করেই বড় অর্থ আয় করছে রাশিয়া।

ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরুর পর রাশিয়ার তেল ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় পশ্চিমা দেশগুলো। এশিয়া সোসাইটির বিশ্লেষক লাইল মরিস বলছেন, এমন প্রেক্ষাপটে কিয়েভের সঙ্গে যুদ্ধ টিকিয়ে রাখতে পুতিন কোনোভাবেই চীনের সমর্থন হারাতে চাইবেন না।

অপরদিকে চীন চায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের তেল আমদানির পথ হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক হোক। ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সময় চীন এই জলপথ দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। শি জিনপিংকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে এগিয়ে আসার তাগিদও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশ্লেষক লাইল মরিস বলছেন, এবারের সফরে পুতিন সম্ভবত শি জিনপিংয়ের কাছে থেকে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে চীনের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে বেশ আগ্রহী হবেন।

তেলের টান, ভিন্ন অবস্থান
সিঙ্গাপুরের নানয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক জেমস চার বলছেন, চীন তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে বিশ্বের প্রধান জলপথগুলোতে মুক্ত চলাচলের ওপর নির্ভরশীল। তাই তারা চাইবে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক।

অন্যদিকে, মস্কোর অবস্থান কিছুটা ভিন্ন। জেমস চারের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে সংকট মেটাতে রুশ জ্বালানি সরবরাহের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল হয়েছে। ফলে ইরান যুদ্ধ থেকে মস্কো অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হতে পারে।

রাশিয়া যে চীনে আরো বেশি জ্বালানি সরবরাহে আগ্রহী তা সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের একটি বক্তব্যেও ফুটে উঠেছে। গত মাসে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর রুশ মন্ত্রী বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে চীন যে জ্বালানি ঘাটতিতে পড়েছে, রাশিয়া তা পূরণ করতে পারে।

আটলান্টিক কাউন্সিলের বিশ্লেষক জোসেফ ওয়েবস্টারের মতে, যেহেতু বেইজিং আরো বেশি রুশ জ্বালানি চাইছে, তাই এবারের বৈঠকে জ্বালানি খাতের সম্পর্ক সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে।

সম্প্রতি ইউক্রেন রুশ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে। এ অবস্থায় মস্কো বেইজিংয়ে আরো বেশি তেল পাঠাতে পারলে সেটি তাদের জন্য বিশেষভাবে লাভজনক হবে বলেও মনে করেন জোসেফ ওয়েবস্টার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category