দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান ব্যাট করার পর খেলা হল মাত্র দুই ওভার। আলোকস্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন আম্পায়াররা। দুই ওভারে কোনো রান করতে পারেনি পাকিস্তান। তাসকিন ও শরীফুলকে মেডেন দিয়েছেন দুই ওপেনার আজান ও ফজল।
এর আগে চা-বিরতির আগে ৯০ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক বিরতি থেকে ফিরেই ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট শতক পূর্ণ করেন। এই সেঞ্চুরির পথেই মুশফিক গড়েছেন জোড়া ইতিহাস। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১৬ হাজার রানের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এছাড়া এই শতকের মাধ্যমে মুমিনুল হককে (১৩টি সেঞ্চুরি) টপকে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে এককভাবে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক এখন কেবলই মুশফিক। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২৩৩ বলে ১২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩৭ রানের এক রাজকীয় ইনিংস খেলেন তিনি।
আজ তৃতীয় দিনের শুরুটা অবশ্য ভালো করতে পারেনি টাইগাররা। সকালের সেশনেই খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫)। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তার। তবে শান্তর বিদায়ের পর প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন মুশফিক। দ্বিতীয় ইনিংসে লিটন খেলেন ৯২ বলে ৬৯ রানের ইনিংস।
লিটন ও মিরাজের (১৯) বিদায়ের পর তাইজুল ইসলামকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন মুশফিক। সপ্তম উইকেটে এই দুজনে যোগ করেন ৭৭ রান। তাইজুল ৫১ বলে ২২ রান করে সাজিদ খানের বলে ক্যাচ আউট হন। এরপর দ্রুত রান তুলতে গিয়ে তাসকিন আহমেদ (৬) ও শরীফুল ইসলাম দ্রুত সাজঘরে ফিরলে ৩৯০ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।